আবূ ইসহাক্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, আমি বারা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এক জোড়া রেশমী পোশাক উপহার দেয়া হলো। তখন সাহাবারা তা ছুঁয়ে তার কোমলতায় বিস্ময়বোধ করতে লাগলেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃতোমরা এর কোমলতায় অবাক হচ্ছো? জান্নাতের মাঝে সা‘দ ইবনু মু‘আয-এর রুমালগুলো হবে এর তুলনায় অধিক উত্তম ও নরম। (ই. ফা. ৬১২৪, ই. সে. ৬১৬৭)
ওয়াকিদ ইবনু আমর ইবনু সাঈদ ইবনু মুআয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (আমাদের এখানে) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) আসলে আমি তার সামনে এলাম। তিনি (আমাকে) প্রশ্ন করেন, তুমি কে? আমি বললাম, আমি ওয়াকিদ ইবনু আমর ইবনু সা’দ ইবনু মুআয। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি (আনাস) কেঁদে ফেললেন এবং বললেন, সা’দের চেহারার সাথে তোমার চেহারার মিল আছে। সা’দ (রাঃ) ছিলেন অত্যন্ত মর্যাদাবান, বলিষ্ঠ ও লম্বা শরীরের অধিকারী। তিনি একবার স্বর্ণের কারুকার্য খচিত দীবাজ (রেশম ও সূতা মিশ্রিত) কাপড়ের একটি জুব্বা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য প্রেরণ করেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা পরে মিম্বারে উঠে দাঁড়ান অথবা বসেন। জনগণ তা ছুঁয়ে দেখতে শুরু করলো এবং বলতে লাগল, আমরা আজকের মতো এমন জামা আর কোন দিন দেখিনি। তিনি বললেনঃ তোমরা এর সৌন্দর্য দেখে আশ্চর্য হচ্ছ! তোমরা যা দেখছ, জান্নাতে সা’দের রুমাল তার চেয়ে বেশি উত্তম। সহীহ্, নাসা-ঈ
আল-বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একখানা রেশমী কাপড় উপহার দেয়া হয়। সাহাবীগণ তার কোমলতায় বিস্মিত হন। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা এটা দেখে অবাক হচ্ছ। অথচ জান্নাতে সা’দ ইবনু মু’আযির রুমাল-এর তুলনায় আরো অনেক উন্নত মানের হবে। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।