সহিহ বুখারী অঃ->পোশাক-পরিচ্ছদ বাব->কাবা ও রেশমী ফার্‌রূজ, আর তাকেও এক প্রকার কাবাই বলা হয়, যে জামার পশ্চাতে ফাঁক থাকে। হাঃ-৫৮০১

উকবা ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে একটি রেশমী কাবা হাদিয়া দেয়া হল। তিনি তা পরেন এবং তা পরে সালাত আদায় করেন। সালাত শেষে তিনি তা খুব জোরে খুলে ফেললেন, যেন এটি তিনি অপছন্দ করছেন। এরপর বললেনঃ মুত্তাকীদের জন্য এটা সাজে না। ‘আবদুল্লাহ্‌ ইবনু ইউসুফ, লায়স থেকে এ রকমই বর্ণনা করেছেন। অন্যেরা বলেছেনঃ ‘ফাররূজ হারীর’ হল ‘রেশমী কাপড়’। [৩৭৫; মুসলিম ১/৯৪, হাঃ ২১৬, আহমাদ ৮০২২, ৮৬২২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৭৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->পোশাক ও সাজসজ্জা বাব->নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্ হাঃ-৫৩২০

উকবাহ্‌ ইবনু আমির (রা:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে রেশমের তৈরি একটি শেরওয়ানী উপহার দেয়া হলে তিনি তা পরলেন। অতঃপর তাতেই তিনি সালাত আদায় করলেন। যখন সালাত শেষ করলেন, তখন সেটি খুব তাড়াতাড়ি খুলে ফেললেন। তিনি যেন ওটা অপছন্দ করেছেন। অতঃপর তিনি বললেন, মুত্তাকীদের জন্যে এটা ব্যবহার করা অনুচিত। (ই.ফা. ৫২৫৩, ই.সে. ৫২৬৬)


সুনান নাসাঈ অঃ->কিব্‌লা বাব->রেশমী বস্ত্রে সালাত হাঃ-৭৭০

উকবা ইব্‌ন আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একটি রেশমী কাবা (আরবী) হাদিয়া দেয়া হয়েছিল। তিনি তা পরিধান করে সালাত আদায় করলেন। তিনি সালাত আদায় করে অতি তাড়াতাড়ি অপছন্দকারীর ন্যায় তা খুলে ফেললেন। তারপর তিনি বললেন : এটা মুত্তকীদের জন্য উপযুক্ত নয়। [১]