সহিহ বুখারী অঃ->সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->উসামা ইব্‌নু যায়দ (রাঃ)-এর উল্লেখ। হাঃ-৩৭৩৫

উসামা ইব্‌নু যায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বর্ণনা করেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে এবং হাসান (রাঃ)-কে এক সঙ্গে তুলে নিতেন এবং বলতেন, হে আল্লাহ! তুমি এদেরকে ভালবাস। কেননা আমিও এদেরকে ভালবাসি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৫৬ প্রথমাংশ, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৬৪ প্রথমাংশ)


সহিহ বুখারী অঃ->সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->হাসান ও হুসাইন (রাঃ)-এর মর্যাদা। হাঃ-৩৭৪৯

বারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি হাসানকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্কন্ধের উপর দেখেছি। সে সময় তিনি [রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] বলেছিলেন, হে আল্লাহ! আমি একে ভালবাসি, তুমিও তাকে ভালবাস। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৭৪)


সহিহ বুখারী অঃ->আচার-ব্যবহার বাব->শিশুকে রানের উপর স্থাপন করা। হাঃ-৬০০৩

উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার হাত ধরে তাঁর এক রানের উপর আমাকে বসাতেন এবং হাসানকে বসাতেন অন্য রানে। তারপর দু’জনকে একত্রে মিলিয়ে নিতেন। পরে বলতেনঃ হে আল্লাহ্‌! আপনি এদের দু’জনের উপর রহম করুন, কেননা আমিও এদের ভালোবাসি। অপর এক সূত্রে তামীমী বলেন, এ হাদীসটি সম্পর্কে আমার মনে সন্দেহ জাগল। ভাবলাম, আবূ ‘উসমান থেকে আমি এতো এতো হাদীস বর্ণনা করেছি, এ হাদীসটি মনে হয় তার কাছ হতে শুনিনি। পরে খোঁজ করে দেখলাম যে, আবূ ‘উসমানের নিকট হতে শোনা যে সব হাদীস আমার কাছে লেখা ছিল, তাতে এটি পেয়ে গেলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৬৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->হাসান এবং হুসায়ন (রাঃ)-এর ফযিলত হাঃ-৬১৫২

বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি হাসান ইবনু ‘আলী (রাঃ)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঘাড়ের উপর দেখেছি। তিনি বলছেন, হে আল্লাহ! আমি একে ভালবাসি, তুমিও তাঁকে ভালবেসো। (ই.ফা. ৬০৪০, ই.সে. ৬০৭৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->হাসান এবং হুসায়ন (রাঃ)-এর ফযিলত হাঃ-৬১৫৩

বারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখলাম, হাসান ইবনু আলীকে তাঁর ঘাড়ে বসিয়ে রেখেছেন। তিনি বলছেন: হে আল্লাহ! আমি একে ভালবাসি, তুমিও তাকে ভালবাসো। (ই.ফা. ৬০৪১, ই.সে. ৬০৭৮)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->আল-হাসান ইবনু 'আলী এবং আল-হুসাইন ইবনু 'আলী ইবনু আবী ত্বালীব (রাঃ)-এর মর্যাদা হাঃ-৩৭৬৯

উসামাহ্‌ ইবনু যাইদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক রাতে আমার কোন দরকারে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলাম। অতএব নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন অবস্থায় বাইরে এলেন যে, একটা কিছু তাঁর পিঠে জড়ানো ছিল যা আমি অবগত ছিলাম না। আমি আমার দরকার সেরে অবসর হয়ে প্রশ্ন করলাম, আপনার দেহের সঙ্গে জড়ানো এটা কি? তিনি পরিধেয় বস্ত্র উন্মুক্ত করলে দেখা গেলো তাঁর দুই কোলে হাসান ও হুসাইন (রাঃ)। তিনি বললেন, এরা দু’জন আমার পুত্র এবং আমার কন্যার পুত্র। হে আল্লাহ্‌! আমি এদের দু’জনকে মুহাব্বাত করি। সুতরাং তুমি তাদেরকে মুহাব্বাত কর এবং যে ব্যক্তি এদেরকে মুহাব্বাত করবে, তুমি তাদেরকেও মুহাব্বাত কর। হাসানঃ মিশকাত, তাহক্বীক্ব সানী (৬১৫৬)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->আল-হাসান ইবনু 'আলী এবং আল-হুসাইন ইবনু 'আলী ইবনু আবী ত্বালীব (রাঃ)-এর মর্যাদা হাঃ-৩৭৮২

আল-বারাআ ইবনু ‘আবিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসান ও হুসাইনকে দেখে বললেনঃ হে আল্লাহ্‌। আমি এ দু’জনকে মুহাব্বাত করি, সুতরাং তুমিও তাদেরকে মুহাব্বাত কর। সহীহঃ সহীহাহ্‌ (২৭৮৯)।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->আল-হাসান ইবনু 'আলী এবং আল-হুসাইন ইবনু 'আলী ইবনু আবী ত্বালীব (রাঃ)-এর মর্যাদা হাঃ-৩৭৮৩

আদী ইবনু সাবিত (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আল-বারাআ ইবনু 'আযিব (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ‘আলীর পুত্র হাসানকে তাঁর কাঁধে তুলে নিয়ে আমি বলতে শুনেছিঃ “হে আল্লাহ্‌! একে আমি মুহাব্বাত করি, অতএব তাকে তুমিও মুহাব্বাত কর। সহীহঃ সহীহাহ্‌ (২৭৮৯), বুখারী ও মুসলিম।