সুনান নাসাঈ অঃ->চোরের হাত কাটা বাব->মাখযুমী নারীর হাদীসে যুহরী (র) হতে বর্ণনাকারীদের মধ্যে বর্ণনাগত পার্থক্য। হাঃ-৪৮৯৪

সুফয়ান (রাহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ মাখযূম গোত্রের এক নারী লোকদের নিকট হতে জিনিসপত্র ধার করত এবং পরে অস্বীকার করত।তাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পেশ করা হল এবং তার বিষয়ে কথা বল। তিনি বললেন “যদি ফাতিমা (রাঃ) -ও হতো, তা হলে তার হাট কেটে দিতাম”। সুফয়ানকে জিজ্ঞেস করা হল, এটা কে বর্ণনা করেছেন? তিনি বলেন, আইয়্যূব ইবন মুসা (রহঃ) যুহরী (রহঃ) হতে, তিনি উরওয়া হতে এবং তিনি হযরত আয়েশা (রাঃ) হতে।


সুনান নাসাঈ অঃ->চোরের হাত কাটা বাব->মাখযুমী নারীর হাদীসে যুহরী (র) হতে বর্ণনাকারীদের মধ্যে বর্ণনাগত পার্থক্য। হাঃ-৪৮৯৭

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময় এক নারী চুরি করলো। লোক বললোঃ আমরা এ ব্যাপারে , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে কথা বলতে পারব না। তার প্রিয়পাত্র উসামা ব্যতিত আর কেউ-ই এ ব্যাপারে তার সাথে কথা বলতে পারবে না। উসামা (রাঃ) তারা সাথে কথা বললে তিনি বললেন, হে উসামা! বনী ইসরাঈল এ জন্যই ধ্বংস হয়েছে যে, তাদের মধ্যে কোন সম্মানী ব্যক্তি অপরাধ করলে, তারা তাকে ছেড়ে দিত। আর গরীব লোক কোন অপরাধ করলে তারা তাকে হত্যা করতো। যদি ফাতিমা বিনতে মুহাম্মদও হতো, আমি তার হাত কাটতাম।


সুনান নাসাঈ অঃ->চোরের হাত কাটা বাব->মাখযুমী নারীর হাদীসে যুহরী (র) হতে বর্ণনাকারীদের মধ্যে বর্ণনাগত পার্থক্য। হাঃ-৪৯০০

আয়েশা (রা:) থেকে বর্নিতঃ

কুরায়শদের মাখযূম গোত্রের এক নারী চুরি করলে তাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত করা হলো। তারা বলল, এ ব্যাপারে তার নিকট কে কথা বলবে? তারা বললোঃ উসামা (রাঃ)। উসামা তার নিকট এসে কথা বললে, তিনি তাকে ধমক দিলেন এবং বললেনঃ বনী ইসরাঈল যখন তাদের কোন ভদ্রলোক চুরি করতো, , তখন তারা তাকে ছেড়ে দিত। আর যখন গরীব লোক চুরি করতো, তখন তারা তার হাত কেটে দিত। মুহাম্মদের প্রাণ যার হাতে, তার শপথ, যদি ফাতিমা বিনতে মুহাম্মদও চুরি করতো, আমি তার হাত কাটার নির্দেশ দিতাম।