সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-এর ফযিলত) হাঃ-৬০৬৬

আব্দুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি যদি বন্ধু বানাতাম তাহলে আবূ বক্‌রকেই বন্ধু হিসেবে অগ্রাধিকার দিতাম। তবে তিনি আমার ভাই এবং আমার সঙ্গী আর তোমাদের সঙ্গীকে আল্লাহ তা‘আলা বন্ধু বানিয়েছেন। (ই.ফা. ৫৯৫৬, ই.সে. ৫৯৯৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-এর ফযিলত) হাঃ-৬০৬৭

আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মাঝখান হতে যদি আমি বন্ধু বানাতাম তাহলে আবূ বাকারকেই বন্ধু বানাতাম। (ই.ফা.৫৯৫৭, ই,সে ৫৯৯৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-এর ফযিলত) হাঃ-৬০৭০

আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জেনে রাখো! কারো সাথে আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব নেই, যদি কাউকে বন্ধু বানাতাম তবে আবূ বাকরকেই বানাতাম। তোমাদের সঙ্গী আল্লাহর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। (ই.ফা.৫৯৬০, ই,সে ৫৯৯৯)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->ভূমিকা বাব->আবু বাক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)- এর সম্মান হাঃ-৯৩

আবদুল্লাহ্‌ (বিন মাসঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জেনে রাখো! আমি প্রত্যেক বন্ধুর বন্ধুত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছি। যদি আমি কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করতাম তবে আবু বাক্‌রকেই অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম। নিশ্চয় তোমাদের এই সাথী আল্লাহ্‌র অন্তরঙ্গ বন্ধু। ওয়াকী' (রাঃ) বলেন, অর্থাৎ তিনি নিজে। [৯১]