সহিহ বুখারী অঃ->জিহাদ বাব->ঘোড়ার কপালের কেশদামে কল্যাণ বিধিবদ্ধ আছে কেয়ামত অবধি। হাঃ-২৮৫০

‘উরওয়াহ ইব্‌নু জা’দ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ঘোড়ার কপালের কেশগুচ্ছে কেয়ামত পর্যন্ত কল্যাণ আছে। সুলাইমান (রহঃ) শুবা (রহঃ) সূত্রে ‘উরওয়াহ ইব্‌নু আবুল জা’দ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। হাদীস বর্ণনায় সুলাইমান (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন মুসাদ্দাদ (রহঃ)......উরওয়া ইব্‌নু আবু জা’দ (রহঃ) হতে।


সহিহ বুখারী অঃ->জিহাদ বাব->জিহাদ চলতে থাকবে সৎ বা অসৎ লোকের নেতৃত্বে। হাঃ-২৮৫২

‘উরওয়াহ বারিকী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ঘোড়ার কপালের কেশ গুচ্ছে কল্যাণ রয়েছে কিয়ামত পর্যন্ত। অর্থাৎ (আখিরাতের) পুরষ্কার এবং গনীমতের মাল।


সহিহ বুখারী অঃ->খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বাণীঃ তোমাদের জন্য গনীমতের মাল হালাল করা হয়েছে। হাঃ-৩১১৯

‘উরওয়াহ আল-বারেকী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ঘোড়ার কপালের উপরিভাগের কেশদামে আছে কল্যাণ, সওয়াব ও গনীমত কিয়ামত অবধি।


সহিহ মুসলিম অঃ->প্রশাসন ও নেতৃত্ব বাব->ঘোড়ার কপালে কিয়ামাত পর্যন্ত কল্যাণ থাকবে হাঃ-৪৭৪৩

‘উরাওয়াহ আল বারিকী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ঘোড়ার ললাটে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত কল্যাণ নিহিত আছে। আর তা হল প্রতিদান ও গনীমাত। (ই.ফা. ৪৬৯৬, ই.সে. ৪৬৯৭)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->জিহাদ বাব->আল্লাহর পথে (জিহাদের উদ্দেশে) ঘোড়া প্রতিপালন হাঃ-২৭৮৮

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ঘোড়ার কপালে বাঁধা রয়েছে কল্যাণ ও বরকত অথবা তিনি বলেছেনঃ কিয়ামত পর্যন্ত ঘোড়ার কপালে কল্যাণ ও বরকত বাঁধা থাকবে। ঘোড়া তিন ধরনেরঃ একজনের জন্য তা সওয়াব বয়ে আনে, একজনের জন্য তা পর্দাস্বরূপ; আরেকজনের জন্য তা পাপের কারণ হয়। ঘোড়া তার জন্য সওয়াব বয়ে আনেঃ যে লোক আল্লাহর পথে জিহাদ করার জন্য তা পোষে এবং একে সেজন্য প্রস্তুত করে রাখে। সেই ঘোড়ার পেটে যা কিছু যায় তার জন্যও তার আমলনামায় সওয়াব লেখা হয়। যদি তার ঘোড়া চারণভূমিতে চরায় তবে ঘোড়া যা কিছুই খায় তার বিনিময়ে তার আমলনামায় সওয়াব লেখা হয়। সে যদি ঘোড়াকে বহমান নদীর পানি পান করায় তবে তার পেটে যাওয়া প্রতিটি ফোঁটা পানির বিনিময়েও তার আমলনামায় একটি করে সওয়াব লেখা হয়। এমনকি তিনি ঘোড়ার পেশাব ও গোবরের বিনিময়েও সওয়াব হওয়ার কথাও উল্লেখ করেন। আর তা যদি একটি বা দু’টি টিলা অতিক্রম করে তবে তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে তার আমলনামায় সওয়াব লেখা হয়। আর যে লোক ঘোড়া পোষে সম্মান ও সৌন্দর্যের উপকরণস্বরূপ তা তার জন্য আবরণ। অবশ্য সে তার ঘোড়ার সহজ বা কঠিন কর্তব্য বিস্মৃত হয় না। আর ঘোড়া যার জন্য পাপের কারণঃ যে লোক ঘোড়া পোষে অহংকারবশে ও প্রদর্শনীর উদ্দেশ্যে, তা তার জন্য পাপের কারণ হয়, তার জন্য ঘোড়া শাস্তিস্বরূপ। [২৭৮৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->জিহাদের ফযিলত বাব->আল্লাহ্ তা‘আলার রাস্তায় যে ব্যক্তি ঘোড়া লালন-পালন করে তার সাওয়াব হাঃ-১৬৩৬

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামাত পর্যন্ত ঘোড়ার কপালে কল্যাণ বাঁধা রয়েছে। তিন প্রকার মানুষের জন্য ঘোড়া তিন ধরণের ফল বয়ে আনে। তা কোন মানুষের জন্য সাওয়াবের মাধ্যম, কোন মানুষের জন্য আবরণস্বরূপ এবং কোন মানুষের জন্য গুনাহের কারণ হয়ে থাকে। এটা সেই প্রকার মানুষের জন্য সাওয়াবের মাধ্যম হয় যে আল্লাহ্ তা‘আলার রাস্তায় (জিহাদের উদ্দেশ্যে) তা লালন-পালন করে এবং এটাকে (সর্বদা) প্রস্তুত রাখে। এটা তার জন্য সাওয়াবের মাধ্যম হবে। সে এর পেটে যা কিছুই ঢালে আল্লাহ্‌ তা‘আলা তার বিনিময়ে তার জন্য সাওয়াব লিখে দেন। সহীহ্, মুসলিম


সুনান নাসাঈ অঃ->ঘোড়া বাব->ঘোড়ার ললাটে কল্যাণ সংযুক্ত হাঃ-৩৫৬২

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ‌্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা কিয়ামত পর্যন্ত ঘোড়ার ললাটে কল্যাণ বেঁধে রেখেছেন। ঘোড়া তিন প্রকার যা দ্বারা মানুষ সওয়াব লাভ করে। আর এক প্রকার ঘোড়া, যা (অসচ্ছলতার জন্য) আচ্ছাদন (ঢাল স্বরুপ) হয়ে থাকে এবং এক প্রকার ঘোড়া বোঝাস্বরুপ হয়ে থাকে। সওয়াবের ঘোড়া তো ঐ ঘোড়া, যাকে (মালিক) আটকে রাখে (লালন পালন করে) আল্লাহ্‌র পথে জিহাদের জন্য এবং প্রয়োজনমত তাকে জিহাদে ব্যবহার করা হয়। যা কিছু সে খায়, যা কিছু তার পেটের ভেতরে গায়েব করে, তা সবই তার জন্য সওয়াব লেখা হয়। যদিও নতুন চারণভূমিতে সে তার সামনে উদ্ভাসিত হয়। হাদিসের শেষ পর্যন্ত বর্নণা করেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->ঘোড়া বাব->ঘোড়ার ললাটের চুল বানিয়ে দেওয়া হাঃ-৩৫৭২

জারির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : আমি রাসূলুল্লাহ্ (সালল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে দেখেছি, তিনি ঘোড়ার ললাটের চুল তাঁর দুই আঙ্গুল দিয়ে বানিয়ে দিতেন এবং বলতেনঃ কিয়ামত পর্যন্ত ঘোড়ার মাথায় খায়ের-বরকত বাঁধা থাকবে, আর সে খায়ের-বরকত হলো সওয়াব এবং গনীমত।


সুনান নাসাঈ অঃ->ঘোড়া বাব->ঘোড়ার ললাটের চুল বানিয়ে দেওয়া হাঃ-৩৫৭৪

উরওয়া বারিকী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ঘোড়ার ললাটে কিয়ামত পর্যন্ত কল্যাণ ও মঙ্গল নিবদ্ধ থাকবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->ঘোড়া বাব->ঘোড়ার ললাটের চুল বানিয়ে দেওয়া হাঃ-৩৫৭৫

উরওয়া ইবন আবূ জা‘আদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছেনঃ কিয়ামত পর্যন্ত ঘোড়ার ললাটে মঙ্গল ও কল্যাণ নিবদ্ধ থাকবে, আর তা হলো সওয়াব ও গনীমত।


সুনান নাসাঈ অঃ->ঘোড়া বাব->ঘোড়ার ললাটের চুল বানিয়ে দেওয়া হাঃ-৩৫৭৬

উরওয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ কিয়ামত পর্যন্ত ঘোড়ার ললাটে খায়ের-বরকত নিবদ্ধ থাকবে, আর তা হলো সওয়াব ও গনীমত।


সুনান নাসাঈ অঃ->ঘোড়া বাব->ঘোড়ার ললাটের চুল বানিয়ে দেওয়া হাঃ-৩৫৭৭

উরওয়া ইব্‌ন আবূ জা‘আদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ কিয়ামত পর্যন্ত ঘোড়ার ললাটে কল্যাণ ও মঙ্গল নিবদ্ধ থাকবে, আর তা হলো সওয়াব ও গনীমত।