ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) ইবনু ‘আববাস (রাঃ)-কে তাঁর কাছে বসাতেন।[১] এতে ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) তাঁকে বললেন, আমাদেরও তো ইবনু ‘আববাস (রাঃ)-এর বয়সী ছেলেপুলে আছে! তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, সে কেমন মর্যাদার লোক তা তো আপনারাও জানেন। এরপর ‘উমার (রাঃ) ইবনু ‘আববাস (রাঃ)-কে إِذَا جَآءَ نَصْرُ اللهِ وَالْفَتْحُ এই আয়াতের মর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। তখন তিনি বললেন, এটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইন্তিকালের খবর। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, এ ত্থেকে তুমি যা (অর্থ) বুঝেছ আমিও তাই বুঝেছি। [৩৬২৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৮১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪০৮৪)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ) লোকদেরকে আল্লাহ্র বাণী إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللهِ وَالْفَتْحُ -এর ব্যাখ্যা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তারা বললেন, এ আয়াতে শহর এবং প্রাসাদসমূহের বিজয় গাঁথা বর্ণিত হয়েছে। এ কথা শুনে ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে ইব্নু ‘আব্বাস! তুমি কী বল? তিনি বললেন, এ আয়াতে ওফাত অথবা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর দৃষ্টান্ত এবং তাঁর শান সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। [৩৬২৭] (আ.প্র. ৪৬০০, ই.ফা. ৪৬০৫)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীদের উপস্থিতিতে ‘উমার (রাঃ) আমার নিকট অনেক বিষয় প্রসঙ্গে প্রশ্ন করতেন। তাকে ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) বলেন, আপনি তার নিকট প্রশ্ন করেন, অথচ আমাদেরও তার ন্যায় সন্তান-সন্ততি আছে। রাবী বলেন, ‘উমার (রাঃ) তাকে বললেন, তার নিকট প্রশ্ন করার কারণ আপনি জানেন। তারপর তিনি তাকে “যখন আল্লাহ তা‘আলার সাহায্য ও বিজয় আসবে”- (সূরা নাস্র ১) এ আয়াত প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেন। আমি বললাম, এটা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর ইন্তিকালের খবর যে বিষয়ে আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে অবগত করেছেন। তিনি শেষ পর্যন্ত সূরাটি তিলাওয়াত করলেন। তারপর ‘উমার (রাঃ) তাকে বলেন, আল্লাহর শপথ! এর যে ব্যাখ্যা আপনি জানেন আমিও তাই জানি। সহীহঃ বুখারী (হাঃ ৪৯৬৯, ৪৯৭০)।