সহিহ বুখারী অঃ->ঈমান বাব->ফিতনা হতে পলায়ন দ্বীনের অংশ । হাঃ-১৯

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সেদিন দূরে নয়, যেদিন মুসলিমের উত্তম সম্পদ হবে কয়েকটি বকরী, যা নিয়ে সে পাহাড়ের চূড়ায় অথবা বৃষ্টিপাতের স্থানে চলে যাবে। ফিতনা হতে সে তার ধর্ম সহকারে পলায়ন করবে। (৩৩০০, ৩৬০০, ৬৪৯৫, ৭০৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৮)


সহিহ বুখারী অঃ->কোমল হওয়া বাব->অসৎ সংসর্গ হতে নির্জনতা শান্তিপ্রদ । হাঃ-৬৪৯৫

আবূ সা‘ঈদ খুদ্‌রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, মানুষের উপর এক যামানা আসবে যখন বকরিই হবে মুসলমানের উত্তম সম্পদ। সে তাঁর দীনকে নিয়ে ফিত্‌না থেকে দূরে থাকার উদ্দেশ্যে পর্বত শৃঙ্গে ও বৃষ্টিপাতের স্থানে চলে যাবে। [৩২](আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৫১)


সহিহ বুখারী অঃ->ফিত্‌না বাব->ফিতনার সময় বেদুঈন সুলভ জীবন কাটানো বাঞ্ছনীয় । হাঃ-৭০৮৮

আবূ সা'ঈদ খুদ্‌রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শীঘ্রই এমন এক সময় আসবে যখন মুসলিমদের সবচেয়ে উৎকৃষ্ট সম্পদ হবে ছাগল। ফিত্‌না থেকে দ্বীন রক্ষার্থে পলায়নের জন্য তারা এগুলো নিয়ে পর্বতের চূড়ায় এবং বৃষ্টিপাতের জায়গাগুলোতে আশ্রয় নেবে। [১৫৭](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬০৯)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->ফিতনাহ ও বিপর্যয় বাব->ফিত্বনাহ্‌র সময় যাযাবর হওয়ার অনুমতি হাঃ-৪২৬৭

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অচিরেই বকরীই হবে মুসলিমদের উত্তম সম্পদ। তা নিয়ে তারা পাহাড়ের চূড়ায় ও বৃষ্টির পানি এলাকায় চলে যাবে, তাদের দ্বীনকে ফিতনা হতে রক্ষার জন্য পালাবে।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->কলহ-বিপর্যয় বাব->নির্জনতা অবলম্বন হাঃ-৩৯৮০

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: অচিরেই মুসলমানদের সর্বাপেক্ষা উত্তম সম্পদ হবে মেষ-বকরী। তারা ফিতনা-ফাসাদ থেকে তাদের দ্বীন ও জীবন বাঁচাতে সেগুলো নিয়ে পাহাড়ের পাদদেশে এবং পানির উৎস সমৃদ্ধ চারণভূমিতে পলায়ন করবে। [৩৩১২]