সহিহ বুখারী অঃ->বৃষ্টির জন্য দোয়া বাব->বৃষ্টির পানি প্রার্থনায় ইমামের হাত উত্তোলন করা। হাঃ-১০৩১

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইসতিস্‌কা ছাড়া অন্য কোথাও দু’আর মধ্যে হাত উঠাতেন না। তিনি হাত এতটুকু উপরে উঠাতেন যে, তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখা যেত।


সহিহ মুসলিম অঃ->ইস্‌তিস্‌ক্বার সলাত বাব->পানি প্রার্থনার দু‘আয় হাত উত্তোলন প্রসঙ্গে হাঃ-১৯৬১

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কোন দু‘আয় হাত উঠাতেন না; কেবল ইস্তিস্ক্বার হাত উঠাতেন। এমনকি এতে তাঁর বগলের শুভ্রতা পরিদৃষ্ট হতো। তবে ‘আবদুল আ’লা তাঁর বর্ণনায় বলেছেন, বগলের শুভ্রতা বা উভয় বগলের শুভ্রতা। (ই.ফা. ১৯৪৫, ই.সে. ১৯৫২)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাতুল ইসতিস্‌কা (বৃষ্টি প্রার্থনার সালাত) বাব->ইসতিস্‌কার সলাতে দু’হাত উত্তোলন সম্পর্কে হাঃ-১১৭০

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইসতিস্‌কা ছাড়া অন্য কোন দু’আতে দু’ হাত উঠাননি। তিনি হাত দু’টিকে এতটুকু উঠাতেন যে, তাঁর বগলদ্বয়ের সাদা অংশ দেখা যেত। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->যে ব্যক্তি দুআ’ কুনুতে তার হস্তদ্বয় উঠায় না। হাঃ-১১৮০

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইস্‌তিসকার সালাত ব্যতিত তাঁর অন্য কোন দুআয় তাঁর দু’হাত উঠাতেন না (হাত তুলে মোনাজাত করতেন না)। তিনি ইস্‌তিসকার সলাতে এতটা উপরে হাত উঠাতেন যে, তাঁর উভয় বগলের শুভ্রতা দৃষ্টিগোচর হতো। [১১৮০]