আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমার (রা:) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি একবার ঘুমিয়ে ছিলাম। তখন আমি আমাকে কা‘বা গৃহ তাওয়াফরত অবস্থায় দেখতে পেলাম। এমন সময় সোজা চুলওয়ালা একজন পুরুষকে দু’জন পুরুষের মাঝে দেখলাম, যার মাথা থেকে পানি ঝরছিল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইনি কে? তারা বলল, ইব্নু মারইয়াম। এরপর আমি ফিরে আসতে লাগলাম। এ সময় একজন লাল রঙ্গের মোটাসোটা, কোঁকড়ান চুলওয়ালা, ডান চোখ কানা ব্যক্তিকে দেখলাম। তার চোখটি যেন ভাসমান আঙুর। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এ ব্যক্তি কে? তারা বলল, এ হচ্ছে দাজ্জাল। তার সঙ্গে সবচেয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ লোক হল ইব্নু কাতান। আর ইব্নু কাতান হল বনু মুস্তালিক গোত্রের খুযাআ বংশের একজন লোক। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৫৩)
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি ঘুমের অবস্থায় দেখতে পেলাম যে, আমি কা’বার তাওয়াফ করছি। হঠাৎ একজন লোককে দেখতে পেলাম ধূসর বর্ণের আলুথালু কেশধারী, তার মাথা থেকে পানি গড়িয়ে পড়ছে কিংবা টপকে পড়ছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইনি কে? লোকেরা বলল, ইনি মারিয়ামের পুত্র। এরপর আমি তাকাতে লাগলাম, হঠাৎ দেখতে পেলাম, এক ব্যক্তি স্থুলকায় লাল বর্ণের, কোঁকড়ানো চুল, এক চোখ কানা, চোখটি যেন ফোলা আঙ্গুরের মত। লোকেরা বলল এ-হল দাজ্জাল! তার সঙ্গে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ লোক হল ইব্নু কাতান, বানী খুযা’আর এক লোক। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৪৩)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, একদিন আমি ঘুমিয়েছিলাম। তখন দেখি যে, আমি কা’বা তাওয়াফ করছি। বাদামী বর্ণের মধ্যমাকৃতির এক ব্যক্তিকে সেখানে দেখলাম। তাঁর চুল গুলো ছিল সোজা। তিনি দু’জনের কাধে ভর করে তওয়াফ করছেন। আর তাঁর মাথা হতে টপটপ করে পানি ঝরছে। বর্ণনাকারী বলেন, এখানে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘হয়তো’ ‘অথবা’ শব্দ ব্যবহার করেছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইনি কে? বলা হয় ইনি ইবনু মারিয়াম (আঃ)। তারপর আমি চোখ ফিরিয়ে তাকালাম; লোহিত বর্ণের মোটা এক ব্যক্তিকে দেখলাম, তাঁর চুলগুলো ছিল কোঁকড়ানো। তার চোখ ছিল টেরা, যেন একটি ফোলা আঙ্গুর। জিজ্ঞেস করলাম, এ কে? বলা হলো, এ হলো দাজ্জাল। তার নিকটতম সদৃশ হলো ইবনু কাতান। (ই, ফা.৩২৬, ই সে.৩৩৭)