সহিহ বুখারী অঃ->আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) বাব->হে মুহাম্মাদ! আপনার নিকট কি মূসার বৃত্তান্ত পৌঁছেছে? (ত্বা-হা: ৯) আর আল্লাহ্‌ মূসার সঙ্গে সাক্ষাতে কথাবার্তা বলেছেন। (আন-নিসাঃ ১৬৪) হাঃ-৩৩৯৪

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী‎ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে রাতে আমার মি’রাজ হয়েছিল, সে রাতে আমি মূসা (‘আঃ)-কে দেখতে পেয়েছি। তিনি হলেন, হালকা পাতলা দেহের অধিকারী ব্যক্তি তাঁর চুল কোঁকড়ানো ছিল না। মনে হচ্ছিল তিনি যে ইয়ামান দেশীয় শানূআ গোত্রের জনৈক ব্যক্তি, আর আমি ‘ঈসা (‘আঃ)-কে দেখতে পেয়েছি। তিনি হলেন মধ্যম দেহবিশিষ্ট, গায়ের রঙ ছিল লাল। যেন তিনি এক্ষুণি গোসলখানা হতে বের হলেন। আর ইব্‌রাহীম (‘আঃ)-এর বংশধরদের মধ্যে তাঁর সঙ্গে আমার চেহারার মিল সবচেয়ে বেশি। অতঃপর আমার সম্মুখে দু’টি পেয়ালা আনা হল। তার একটিতে ছিল দুধ আর অপরটিতে ছিল শরাব। তখন জিব্‌রাঈল (‘আঃ) বললেন, এ দু’টির মধ্যে যেটি চান আপনি পান করতে পারেন। আমি দুধের পেয়ালাটি নিলাম এবং তা পান করলাম। তখন বলা হল, আপনি স্বভাব প্রকৃতিকে বেছে নিয়েছেন। দেখুন, আপনি যদি শরাব নিয়ে নিতেন, তাহলে আপনার উম্মতগণ পথভ্রষ্ট হয়ে যেত।


সহিহ মুসলিম অঃ->ঈমান বাব->অহংকারের পরিচয় ও তা হারাম হওয়া হাঃ-১৬৮

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যার অন্তরে অণু পরিমাণ অহংকার থাকবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। (ই.ফা. ১৬৯; ই.সে. ১৭৫)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->তাফসীরুল কুরআন বাব->সূরা বানী ইসরাঈল হাঃ-৩১৩০

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে রাতে আমাকে (ঊর্ধ্বজগতে) ভ্রমণ করানো হয় সে রাতে আমি মূসা (‘‘আঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করি। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মূসা (‘আঃ)-এর দৈহিক গঠনাকৃতির বর্ণনা দেন। (তিনি বলেনঃ ) তিনি এমন এক ব্যক্তি যাঁর দেহ মধ্যমাকৃতির, তাঁর চুল মধ্যম গোছেন, খুব কোঁকড়ানোও নয়, আবার একেবারে সোজাও নয়। মনে হয় তিনি শানূআহ বংশের লোক। তিনি আরো বলেনঃ ‘ঈসা (‘আঃ)-এর সাথেও আমি সাক্ষাৎ করলাম। বর্ণনাকারী বলেন, তাঁর চেহারারও বর্ণনা দিলেন তিনি। তাঁর দেহের গড়ন মধ্যম, শরীরের রং লাল এবং মনে হয় তিনি এইমাত্র গোসলখানা হতে বের হয়েছেন। ইব্রাহীম (‘আঃ)-কেও আমি দেখেছি। তাঁর বংশধরের মধ্যে আমিই তাঁর দৈহিক আকৃতিতে সর্বাধিক সদৃশ। আমার সামনে দু’টি পানপাত্র পেশ করা হয় : একটি দুধের এবং অন্যটি মদের। আমাকে বলা হল, আপনি এ দু’টির মধ্যে যেটা পান করতে চান সেটা নিন। আমি দুধের পাত্রটি নিয়ে তা পান করলাম। তারপর আমাকে বলা হল, আপনাকে ফিতরাতের (ইসলামের) পথ দেখানো হয়েছে বা আপনি ফিতরাতকে পেয়ে গেছেন। আপনি যদি মদের পাত্র নিতেন তবে আপনার উম্মত পথভ্রষ্ট হয়ে যেত। সহীহ : বুখারী (৪৭০৯), মুসলিম।