সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->বিজ্ঞ ও মর্যাদাশীল ব্যক্তিই ইমামতের অধিক যোগ্য। হাঃ-৬৭৮

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসুস্থ হয়ে পড়লেন, ক্রমে তাঁর অসুস্থতা তীব্রতর হলে তিনি বললেন, আবূ বক্‌রকে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে বল। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, তিনি তো কোমল হৃদয়ের লোক, যখন আপনার স্থানে দাঁড়াবেন, তখন তিনি লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে পারবেন না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবার বললেন, আবূ বক্‌রকে বল, সে যেন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে। ‘আয়িশা (রাঃ) আবার সে কথা বললেন। তখন তিনি আবার বললেন, আবূ বকর (রাঃ) -কে বল, সে যেন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে। তোমরা ইউসুফের (‘আঃ) সাথী মহিলাদের মতোই। অতঃপর একজন সংবাদদাতা আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট সংবাদ নিয়ে আসলেন এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবদ্দশাতেই লোকদেরকে সঙ্গে নিয়ে সালাত আদায় করলেন।


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->ইমাম অসুস্থ হয়ে পড়লে বা সফরে গেলে, অথবা অন্য কোন ওজর থাকলে তিনি তার প্রতিনিধি নিয়োগ করবেন, কোন কারনে ইমাম যদি বসে সলাত আদায় করেন-সেক্ষেত্রে মুক্তাদীদের কোন অসুবিধা না থাকলে তারা দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করবে, কারন সক্ষম মুক্তাদীর বসে সলাত আদায় করার নির্দেশ (মানসুখ) রহিত হয়ে গেছে। হাঃ-৮৩৪

আবূ মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন,রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রোগাক্রান্ত হয়ে পড়লেন এবং তা দিন দিন বাড়তে লাগল। তিনি বললেনঃ আবূ বকর (রাঃ) -কে লোকদের সলাতের ইমামতি করতে বলো। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসুল! আবূ বাকর (রাঃ) নরম হৃদয়ের মানুষ। আপনার জায়গায় দাঁড়িয়ে লোকেদের সলাত পড়ানোর শক্তি তার নেই। তিনি বললেন আবূ বাক্‌রকে নির্দেশ দাও, সে যেন লোকেদের নিয়ে সলাত আদায় করে নেয়। তোমরা তো ইউসুফের ঘটনা সংক্রান্ত মহিলাদের মতই। রাবী বলেন, অতঃপর আবূ বকর (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জীবিত থাকাবস্থায় তাদের সলাতে ইমামতি করলেন। (ই.ফা. ৮৩০, ই.সে. ৮৪৩)