সহিহ বুখারী অঃ->পোশাক-পরিচ্ছদ বাব->কোঁকড়ানো চুল প্রসঙ্গে। হাঃ-৫৯১৩

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা একবার ইবনু আব্বাসের কাছে ছিলাম। তখন লোকজন দাজ্জালের কথা আলোচনা করল। একজন বললঃ তার দু’চোখের মাঝে লেখা থাকবে ‘কাফির’। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেনঃ আমি এমন কথা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনিনি। তবে তিনি বলেছেনঃ তোমরা যদি ইব্রাহিম (আঃ)-কে দেখতে চাও, তা হলে তোমাদের সঙ্গী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দিকে তাকাও। আর মূসা (আঃ) হচ্ছেন শ্যাম রঙের মানুষ, কোঁকড়ানো চুলের অধিকারী, নাকে লাগাম পরান লাল বর্ণের উষ্ট্রে আরোহণকারী। আমি যেন তাকেঁ লক্ষ্য করছি তিনি তালবিয়া (লাববাইকা.............) পাঠরত অবস্থায় (মাক্কাহ) উপত্যকায় নামছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৭৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->ঈমান বাব->রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মি’রাজ এবং সলাত ফারয হওয়া হাঃ-৩১১

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। উপস্থিত সবাই দাজ্জালের আলোচনা উঠালেন। তখন কোন একজন বললেন, তার (দাজ্জালের) দু’ চোখের মাঝামাঝিতে “কাফির” শব্দ খচিত আছে। তখন ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন কিছু বলেছেন বলে আমি শুনিনি। তবে এতটুকু বলতে শুনেছি যে, ইবরাহীম (‘আঃ) এর আকৃতি জানতে হলে তোমাদের এ সাথীরই (নিজের দিকে ইঙ্গিত) দিকে তাকাও। (তিনি অনুরুপই ছিলেন) আর মূসা (‘আঃ) ছিলেন গন্দুমী বর্ণের সুঠামদেহী। তাকে লাল বর্ণের একটি ঊটের পিঠে আরোহিত দেখেছি। আমি যেন তাকে এখনো তালবিয়াহ পাঠ করা অবস্থায় উপত্যকার ঢালু দিয়ে নামতে দেখেছি। (ই.ফা. ৩১৯, ই.সে. ৩৩০)