সহিহ মুসলিম অঃ->সালাম বাব->পিঁপড়া মারার নিষেধাজ্ঞা হাঃ-৫৭৪৩

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নবীদের মধ্যে কোন একজন নবী একটি বৃক্ষের নিচে অবস্থান নিলেন, সে সময় একটি পিঁপড়া তাঁকে কামড় দিল। তিনি এ ব্যাপারে নির্দেশ করলে তার আসবাবপত্র গাছ তলা হতে সরিয়ে ফেলা হলো। তারপর তাদের পিঁপড়া সম্বন্ধে নির্দেশ দিলে তাদের বাসা জ্বালিয়ে দেয়া হলো। তখন আল্লাহ তা’আলা তার নিকট ওয়াহী প্রেরণ করলেন, এমতাবস্থায় একটি মাত্র (অপরাধী) পিঁপড়াকে (শাস্তি) দিলেন না কেন? (ই.ফা. ৫৬৫৫, ই.সে. ৫৬৮৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাম বাব->পিঁপড়া মারার নিষেধাজ্ঞা হাঃ-৫৭৪৪

হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এ হলো সেসব হাদীস যা আবূ হুরায়রা্‌ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, এ বলে তিনি কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করলেন, (সেগুলোর একটি হলো) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নবীকূলের একজন নবী একটি বৃক্ষের নিচে অবস্থান করলেন, তখন একটি পিঁপড়া তাঁকে কামড় দিল, সে সময় তিনি তার আসবাবপত্র (বের করার) বিষয়ে আদেশ দিলে তা বৃক্ষের নিচ থেকে বের করা হলো এবং তিনি নির্দেশ দিলে পিঁপড়াগলো আগুনে জ্বালিয়ে দেয়া হলো। তিনি বলেন, তখন আল্লাহ তা’আলা তাঁর নিকট ওয়াহী প্রেরণ করলেন, এহেন অবস্থায় একটি মাত্র পিঁপড়াকে (শাস্তি) দিলেন না কেন? (ই.ফা. ৫৬৫৬, ই.সে. ৫৬৮৬)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->শিষ্টাচার বাব->সাপ মারা সম্পর্কে হাঃ-৫২৫৬

মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ও তার এক সাথী অসুস্থ আবূ সাঈদ (রাঃ)-কে দেখতে যান। তিনি বলেন, আমরা তার নিকট হতে বেরিয়ে আসার পর আরেক সঙ্গীর সঙ্গে আমাদের দেখা হলো। তিনিও তাকে দেখতে এসেছেন। আমরা কিছুটা এগিয়ে গিয়ে মাসজিদে বসলাম। তিনি ফিরে এসে আমাদের জানালেন, তিনি আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ কতক সাপ জিনদের অন্তর্ভুক্ত। কাজেই কেউ তার ঘরে এগুলোর কোনোটিকে দেখতে পেলে সে যেন তিনবার একে সতর্ক করে। তারপরও ফিরে আসলে সে যেন একে মেরে ফেলে। কারন তা শয়তান। [৫২৫৪] দুর্বলঃ যঈফাহ, হা/৩১৬৩.