সহিহ বুখারী অঃ->সাওম বাব->রমযান বলা হবে, না রমযান মাস বলা হবে? আর যাদের মতে উভয়টি বলা যাবে । হাঃ-১৮৯৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলতেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রমযান আসলে আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানগুলোকে শিকলবন্দী করে দেয়া হয়।


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->রমাযান মাসের ফাযীলাত হাঃ-২৩৮৫

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রমাযান মাস আসলে জান্নাতের দরজাসমূহ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শাইত্বনগুলোকে শিকলে বন্দী করা হয়। (ই. ফা. ২৩৬২, ই. সে. ২৩৬৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->রমাযান মাসের ফাযীলাত হাঃ-২৩৮৬

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রমাযান মাস উপস্থিত হলে রহমাতের দরজাসমূহ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শাইত্বনগুলোকে শিকলে আবদ্ধ করা হয়। (ই. ফা. ২৩৬৩, ই. সে. ২৩৬৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->রমাযান মাসের ফাযীলাত হাঃ-২৩৮৭

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন রমাযান মাস আসে ... এরপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৩৬৪, ই.সে. ২৩৬৫)


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->সাওম (রোযা) ফরয হওয়া হাঃ-২০৯৭

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন রমযান মাস আসে তখন জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানদেরকে বেঁধে রাখা হয়।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->সাওম (রোযা) ফরয হওয়া হাঃ-২০৯৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন রমযান মাস আগমন করে তখন জান্নাতের দরজাসমূহ খূলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমুহ বন্ধ করে দেয়া হয়। আর শয়তানদেরকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে রাখা হয়।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->সাওম (রোযা) ফরয হওয়া হাঃ-২১০০

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন রমযান মাস আগমন করে তখন জান্নাতের দরজাসমুহ খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমুহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানদেরকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে রাখা হয়।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->সাওম (রোযা) ফরয হওয়া হাঃ-২১০১

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন রমযান আসে তখন জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানকে শূংখলাবদ্ধ করে রাখা হয়।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->সাওম (রোযা) ফরয হওয়া হাঃ-২১০২

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রমযান মাস আসে করে তখন জান্নাতের দরজাসমুহ খূলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে রাখা হয়।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->মা’মার থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে পার্থক্য হাঃ-২১০৪

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফরয ব্যতীত রমযানের তারাবীহ্‌র সালাত আদায় করার জন্যও উৎসাহিত করতেন। তিনি বলতেন যে,যখন রমযান আগমন করে জান্নাতের দরজাসমূহ খূলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানদেরকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে রাখা হয়।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->মা’মার থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে পার্থক্য হাঃ-২১০৫

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যখন রমযান আগমন করে তখন রহমতের দরজাসমুহ খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানদেরকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে রাখা হয়।