সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->পাঁচ ওয়াক্ত ফরয সলাতের সময় হাঃ-১২৬৬

ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) একদিন ‘আস্‌রের সলাত আদায় করতে দেরী করলে ‘উরওয়াহ্‌ (রহঃ) তাকে বললেনঃ একদিন জিব্‌রীল (‘আঃ) এসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর ইমাম হয়ে সলাত আদায় করলেন। এ কথা শুনে ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয ‘উরওয়াহ্‌কে বললেনঃ ‘উরওয়াহ্‌! তুমি যা বলছ তা ভালমতো চিন্তা ভাবনা করে বলো। ‘উরওয়াহ্‌ বললেনঃ আমি বাশীর ইবনু আবূ মাস’উদকে বলতে শুনেছি। তিনি বলছেনঃ আমি আবূ মাস’উদকে বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেন যে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি। একদিন জিব্‌রীল (‘আঃ) এসে আমার ইমামতি করলেন। আমি তার সাথে সলাত আদায় করলাম। তারপর আমি তাঁর সাথে সলাত আদায় করলাম। তারপর পুনরায় আমি তাঁর সাথে সলাত আদায় করলাম। এরপর আমি আবার তাঁর সাথে সলাত আদায় করলাম। তারপর আমি আরো একবার তাঁর সাথে সলাত আদায় করলাম। এভাবে তিনি আঙ্গুল গুণে পাঁচ (ওয়াক্ত) সলাতের কথা বললেন। (ই.ফা. ১২৫৪, ই.সে. ১২৬৭)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত (নামায) বাব->সলাতের ওয়াক্তসমূহ হাঃ-৬৬৮

আবূ মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(ইবনু শিহাব) উমার বিন আবদুল আযীয (রহঃ) এর গদীতে বসা ছিলেন, যখন তিনি মাদীনাহ্‌র গভর্নর ছিলেন। উরওয়া ইবনুয-যুবায়র (রহঃ)-ও তার সাথে ছিলেন। উমার বিন আবদুল আযীয (রহঃ) আসরের সালাত আদায় করতে কিছুটা বিলম্ব করলেন। উরওয়াহ (রহঃ) তাকে বলেন, জিবরাঈল (আঃ) অবতরণ করে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইমাম হিসাবে সালাত আদায় করেন। উমার (রাঃ) তাকে বলেন, হে উরওয়া! আপনি কি বলছেন, তা ভেবে দেখুন। তিনি বলেন, আমি বাশীর বিন আবূ মাসঊদ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন আমি আবূ মাসঊদ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি তিনি বলেন, জিবরাঈল (আঃ) নাযিল হয়ে আমার ইমামতি করলেন। এরপর আমি তাঁর সাথে সালাত পড়লাম, অতঃপর আমি তাঁর সাথে সালাত পড়লাম, অতঃপর আমি তাঁর সাথে সালাত পড়লাম, অতঃপর আমি তাঁর সাথে সালাত পড়লাম। এভাবে তিনি তাঁর আঙ্গুল দিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত গণনা করেন। [৬৬৬]


মুয়াত্তা ইমাম মালিক অঃ->কুরআন বাব->দু’আর নিয়ম হাঃ-৪৯৪

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট খবর পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’আ করতেন ও বলতেন, اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ فِعْلَ الْخَيْرَاتِ وَتَرْكَ الْمُنْكَرَاتِ وَحُبَّ الْمَسَاكِينِ وَإِذَا أَرَدْتَ فِي النَّاسِ فِتْنَةً فَاقْبِضْنِي إِلَيْكَ. “হে প্রভু! আমি যেন ভাল কাজ করি ও মন্দকে পরিত্যাগ করতে পারি এবং মিসকিনদের ভালবাসতে পারি, সে তওফিক আপনার নিকট হতে সাওয়াল করছি, আর যখন লোকদেরকে পরীক্ষায় ফেলতে ইচ্ছা করেন তখন আমাকে গোলযোগমুক্ত অবস্থায় আপনার নিকট গ্রহণ করে নিবেন।” غَيْرَ مَفْتُوْنٍ. (সহীহ, তিরমিযী ৩২৩৩, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহহি আল-জামে ৫৯]