আবূ হাসীন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ ওয়াইল (রহঃ) বলেছেন যে, সাহ্ল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ) যখন সিফ্ফীন যুদ্ধ থেকে ফিরলেন তখন যুদ্ধের খবরাখবর জানার জন্য আমরা তাঁর কাছে আসলে তিনি বললেন, নিজেদের মতামতকে সন্দেহমুক্ত মনে করবে। আবূ জানদাল (রাঃ)-এর ঘটনার [৪৫] দিন আমি আমাকে (আল্লাহ্র পথে) দেখতে পেয়েছিলাম। সেদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আদেশ আমি উপেক্ষা করতে পারলে উপেক্ষা করতাম। কিন্তু আল্লাহ ও তাঁর রসূলই অধিক জানেন। আর কোন দুঃসাধ্য কাজের জন্য আমরা যখন তরবারি হাতে নিয়েছি তখন তা আমাদের জন্য অত্যন্ত সহজসাধ্য হয়ে গেছে। এ যুদ্ধের পূর্বে আমরা যত যুদ্ধ করেছি তার সবগুলোকে আমরা নিজেদের জন্য কল্যাণকর মনে করেছি। কিন্তু এ যুদ্ধের অবস্থা এই যে, আমরা একটি সমস্যা সামাল দিতে না দিতেই আরেকটি নতুন সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু কোন সমাধানের পথ আমাদের জানা নেই। [৩১৮১] (আ.প্র. ৩৮৬৯, ই. ফা ৩৮৭২)
আমাস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আবূ ওযায়িলকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি সিফ্ফীনের যুদ্ধে যোগদান করেছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। মূসা ইব্নু ইসমা’ঈল… সাহ্ল ইব্নু হুনায়ফ (রাঃ) বলেন, হে লোকেরা! দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের নিজস্ব মতামতকে গ্রহণযোগ্য মনে করো না। কেননা আবূ জান্দাল দিবসে (হুদাইবিয়াহ্র দিন) আমি ভেবেছিলাম, যদি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম) - এর সিদ্ধান্তকে প্রত্যাখ্যান করতে পারতাম, তাহলে অবশ্যই আমি তা প্রত্যাখ্যান করতাম। যে কোন ভয়াবহ অবস্থার জন্য আমরা যখনই তলোয়ার কাঁধে নিয়েছি, তখনই তলোয়ার আমাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের পথ সহজ করে দিয়েছ। বর্তমান বিষয়টি আলাদ। রাবী বলেন, আবূ ওয়ায়িল (রাঃ) বলেছেন, আমি সিফ্ফীনের যুদ্ধে শরীক ছিলাম; কতই না মন্দ ছিল সিফ্ফীনের লড়াই!(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১০)
শাকীক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সিফফীন দিবসে সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ) –কে আমি বলতে শুনেছি, হে লোক সকল! তোমাদের নিজেদের অভিমতকে অভিযুক্ত মনে করবে। আল্লাহর কসম! আমি আবূ জান্দালের সে দিনটি দেখেছি। যদি আমার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর আদেশ প্রত্যাখ্যান করার সাধ্য থাকতো, তবে অবশ্যই তা প্রত্যাখ্যান করতাম। আল্লাহর কসম! আমরা আমাদের তরবারি স্বীয় গর্দানে উঠাতাম না যতক্ষণ না আমাদের কোন বিষয় বোধগম্য ছিল। কিন্তু তোমাদের এ ব্যাপারটির কথা তার বিপরীত। ইবনু নুমায়র তাঁর বর্ণনায় (আরবি) (কোন ব্যাপারে) কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৪৮৩, ই.সে. ৪৪৮৫)