সহিহ বুখারী অঃ->জুমু'আ বাব->খুত্‌বায় আল্লাহ্‌র হাম্‌দের পর ‘আম্‌মা বা‘দু’ বলা। হাঃ-৯২৩

‘আম্‌র ইব্‌নু তাগলিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কিছু মাল বা কিছু সংখ্যক যুদ্ধবন্দী উপস্থিত করা হলে তিনি তা বণ্টন করে দিলেন। বণ্টনের সময় কিছু লোককে দিলেন এবং কিছু লোককে বাদ দিলেন। অতঃপর তাঁর নিকট সংবাদ পৌঁছলো যে, যাদের তিনি দেননি, তারা অসন্তুষ্ট হয়েছে। তখন আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্‌র প্রশংসা করলেন ও তাঁর মহিমা বর্ণনা করলেন, অতঃপর বললেনঃ ‘আম্‌মা বা‘দ। আল্লাহ্‌র শপথ! আমি কোন লোককে দেই আর কোন লোককে দেই না। যাকে আমি দেইনা সে, যাকে আমি দেই তাঁর চেয়ে আমার নিকট অধিক প্রিয়। তবে আমি এমন লোকদের দেই যাদের অন্তরে অধৈর্য ও মালের প্রতি লিপ্সা দেখতে পাই; আর কিছু লোককে আল্লাহ্‌ যাদের অন্তরে অমুখাপেক্ষিতা ও কল্যাণ রেখেছেন, তাদের সে অবস্থার উপর ন্যস্ত করি। তাদের মধ্যে আম্‌র ইব্‌নু তাগলিব একজন। বর্ণনাকারী ‘আম্‌র ইব্‌নু তাগলিব (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র শপথ! আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এ বাণীর পরিবর্তে আমি লাল উটও [১] পছন্দ করি না।


সহিহ বুখারী অঃ->জাহ্‌মিয়াদের মতের খণ্ডন ও তাওহীদ প্রসঙ্গ বাব->আল্লাহ্‌র বাণীঃ মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে খুবই অস্থির-মনা করে, বিপদ তাকে স্পর্শ করলে সে হয় উৎকন্ঠিত, কল্যাণ তাকে স্পর্শ করলে সে হয়ে পড়ে অতি কৃপণ। (সূরা মা‘আরিজ ৭০/১৯-২৯) হাঃ-৭৫৩৫

আম্‌র ইব্‌নু তাগলিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে কিছু মাল এল। এ থেকে তিনি এক দলকে দিলেন। অন্য দলটিকে দিলেন না। অতঃপর তাঁর কাছে এ খবর পৌঁছল যে, যারা পেলো না তারা অসন্তুষ্ট হয়েছে। এতে তিনি বললেনঃ আমি একজনকে দেই আবার অন্য জনকে দেই না। কিন্তু যাকে আমি দেই না, সে-ই আমার কাছে বেশী প্রিয় যাকে দেই তার থেকে। এমন কিছু কাওমকে আমি দেই, যাদের হৃদয়ে আছে অস্থিরতা ও দ্বন্দ। আর কিছু কাওমকে আমি মাল না দিয়ে তাদের হৃদয়ে আল্লাহ্ যে অমুখাপেক্ষিতা ও কল্যাণ রেখেছেন তার উপর সোর্পদ করি। এদেরই একজন হলেন, আম্‌র ইব্‌নু তাগলিব (রাঃ)। ‘আম্‌র (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর এ কথার বিনিময়ে আমি একপাল লাল রং এর উটের মালিক হওয়াও অধিক পছন্দ করি না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭০২৭)