সহিহ বুখারী অঃ->জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন বাব->যারা অঙ্গীকার করে তা ভঙ্গ করে তাদের গুনাহ। হাঃ-৩১৭৯

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে কুরআন এবং এ কাগজে যা লিখা আছে তা ছাড়া কোন কিছু লিপিবদ্ধ করিনি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আয়ির পর্বত হতে এ পর্যন্ত মাদীনাহ্‌র হরম এলাকা। যে কেউ দ্বীনের ব্যাপারে বিদ্‌’আত উদ্ভাবণ করে কিংবা কোন বিদ্‌’আতীকে আশ্রয় দিবে তার উপর আল্লাহ তা’আলা, ফেরেশতা ও সকল মানুষের লা’নত। তার কোন ফরয কিংবা নফল ‘ইবাদাত গৃহীত হবে না। আর সকল মুসলমানের পক্ষ হতে নিরাপত্তা একই স্তরের। সাধারন মুসলিম নিরাপত্তা দিলে সকলকে তা রক্ষা করতে হবে। যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের দেয়া নিরাপত্তা বাধাগ্রস্ত করবে তার উপর আল্লাহ তা’আলার লা’নত এবং ফেরেশতামণ্ডলী ও সকল মানুষের। তার কোন নফল কিংবা ফরয ‘ইবাদাত গৃহীত হবে না। আর যে স্বীয় মনিবের অনুমতি ব্যতীত অন্যদের সঙ্গে বন্ধুত্বের চুক্তি করে, তার উপর আল্লাহ তা’আলার লা’নত এবং ফেরেশতামণ্ডলী ও সকল মানুষের। তার কোন নফল কিংবা ফরয ‘ইবাদত কবূল হবে না।


সহিহ বুখারী অঃ->মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য বাব->৬১/৫. অধ্যায়ঃ হাঃ-৩৫১১

‘আবদুল্লাহ ইবন ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে মিম্বরের উপর উপবিষ্ট অবস্থায় পূর্ব দিকে [১] ইঙ্গিত করে বলতে শুনেছি, সাবধান! ফিতনা ফাসাদের উদ্ভব ঐদিক থেকেই হবে এবং ঐদিক থেকেই শয়তানের শিং উদিত হবে।


সহিহ বুখারী অঃ->মাগাযী বাব->আশ'আরী ও ইয়ামানবাসীদের আগমন হাঃ-৪৩৮৯

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ঈমান হল ইয়ামানীদের। আর ফিতনা হল ওখানে, যেখানে উদিত হল শয়তানের শিং। [৩৩০১] (আ.প্র. ৪০৪০, ই.ফা. ৪০৪৪)


সহিহ বুখারী অঃ->ফিত্‌না বাব->নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী ফিতনা পূর্ব দিক থেকে শুরু হবে । হাঃ-৭০৯৩

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে পূর্ব দিকে মুখ করে বলতে শুনেছেন, সাবধান! ফিত্‌না সে দিকে যে দিক থেকে শয়তানের শিং উদিত হয়। [৩১০৪; মুসলিম ৫২/১৬, হাঃ ২৯০৫, আহমাদ ৫৪১০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১২)


সহিহ মুসলিম অঃ->ফিতনাসমুহ ও কিয়ামতের নিদর্শনাবলী বাব->ফিত্‌নাহ্‌ পূর্ব দিকে থেকে আত্নপ্রকাশ করবে, যেদিক থেকে শাইতানের শিং উদিত হবে হাঃ-৭১৮৪

ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পূর্বমুখী ছিলেন। এমতাবস্থায় তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, ফিত্‌নাহ্‌ এদিক থেকে, ফিত্‌নাহ্‌ এদিক থেকে-যেখান থেকে শাইতানের শিং উদিত হবে। (ই.ফা. ৭০২৮, ই.সে. ৭০৮৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->ফিতনাসমুহ ও কিয়ামতের নিদর্শনাবলী বাব->ফিত্‌নাহ্‌ পূর্ব দিকে থেকে আত্নপ্রকাশ করবে, যেদিক থেকে শাইতানের শিং উদিত হবে হাঃ-৭১৮৫

ইবনু ‘উমার থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাফসাহ্‌ (রাঃ)-এর দরজার কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় তিনি তাঁর আঙ্গুল দ্বারা পূর্বপ্রান্তের দিকে ইশারা করে বললেন, ফিত্‌নাহ্‌ এদিক থেকে-যেদিক থেকে শাইতানের শিং উদিত হবে। এ কথাটি তিনি দু’ বা তিনবার বলেছেন। বর্ণনাকারী ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) তার বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আয়িশা (রাঃ)-এর দরজার কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন। (ই.ফা. ৭০২৯, ই.সে. ৭০৮৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->ফিতনাসমুহ ও কিয়ামতের নিদর্শনাবলী বাব->ফিত্‌নাহ্‌ পূর্ব দিকে থেকে আত্নপ্রকাশ করবে, যেদিক থেকে শাইতানের শিং উদিত হবে হাঃ-৭১৮৬

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদিন রসুলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পূর্বমুখী হয়ে বললেনঃ ফিত্‌নাহ্‌ এদিক থেকে-ফিত্‌নাহ্‌ এদিক থেকে-অবশ্যই ফিত্‌নাহ্‌ এদিক থেকে-যেখান থেকে শাইতানের শিং উদিত হবে। (ই.ফা. ৭০৩০, ই.সে. ৭০৮৭)