সহিহ বুখারী অঃ->সালাত বাব->সফর হতে ফিরে আসার পর সালাত আদায়। হাঃ-৪৪৩

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম। তিনি তখন মসজিদে ছিলেন। রাবী মিস’আর (রাঃ) বলেনঃ আমার মনে পড়ে রাবী মুহারিব (রহঃ) চাশতের সময়ের কথা বলেছেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি দু’ রাকা’আত সালাত আদায় কর। জাবির (রাঃ) বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আমার কিছু পাওনা ছিল। তিনি তা আদায় করে দিলেন বরং কিছু বেশী দিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৩০)


সহিহ বুখারী অঃ->ঋণ গ্রহণ, ঋণ পরিশোধ, নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও দেউলিয়া ঘোষণা বাব->ভালভাবে ঋণ পরিশোধ করা। হাঃ-২৩৯৪

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলাম। তখন তিনি মসজিদে ছিলেন। মিসআর (রহঃ) বলেন, আমার মনে হয়, তিনি বলেছেন, তা ছিল চাশতের ওয়াক্ত। তিনি বললেন, দুই রাক’আত সালাত আদায় কর। তাঁর কাছে আমার কিছু ঋণ প্রাপ্য ছিল। তিনি আমার ঋণ আদায় করলেন এবং পাওনার চেয়েও বেশী দিলেন।


সহিহ মুসলিম অঃ->মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর বাব->দু’ রাক‘আত তাহিয়্যাতুল মাসজিদ আদায় মুস্তাহাব এবং দু’ রাক‘আত আদায়ের পুর্বে বসা মাকরুহ এবং এটা সর্বাবস্থায় পালনীয় হাঃ-১৫৪১

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে আমার কিছু পাওনা ছিল। তিনি আমাকে তা পরিশোধ করে দিলেন এবং অধিক পরিমানেই দিলেন। আমি একদিন মাসজিদে তার কাছে গেলে তিনি আমাকে বললেনঃ দু’ রাক‘আত সলাত আদায় করে নাও। (ই.ফা. ১৫২৬, ই.সে. ১৫৩৩)