উসামহ ইবনু যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বিদায় হাজ্জের সময় জিজ্ঞেস করি, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আগামী কাল সকালে কোথায় অবরতণ করবেন? তিনি বললেনঃ ‘আক্বীল কি আমাদের জন্য কোন বাড়ী রেখেছে? এরপর বললেনঃ আগামী কাল আমরা বনী কিনানার খাইফে (মুহাস্সাবে) অবতরণ করবো, যেখানে কুরাইশরা কুফরীর শপথ করেছিলো। অর্থাৎ বনী কিনানার লোকেরা কুরাইশদের সাথে এই মর্মে শপথ করেছিলো যে, বনী হাশিমের সাথে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে না, তাদেরকে কোনো ধরনের আশ্রয় দিবে না এবং তাদের সাথে ক্রয়-বিক্রয় করবে না। ইমাম যুহরী (রহঃ) বলেন, ‘খায়ফ’ শব্দের অর্থ উপত্যকা। [২০১০]
উসামাহ ইবনু যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে হাজ্জে যাওয়ার পথে জিজ্ঞেস করি, হে আল্লাহর রাসূল! আগামীকাল সকালে কোথায় নামবেন? তিনি বললেন, আক্বীল কি আমাদের জন্য কোনো মনযিল অবশিষ্ট রেখেছে? পুনরায় তিনি বললেন, আমরা বনী কিনানাহর উপত্যকায় অবতরণ করবো; যেখানে বসে কুরাইশরা কুফরীর উপর অটল থাকার শপথ করেছিল- অর্থাৎ আল-মুহাস্সাব নামক জায়গায়। এখানেই বনী কিনানাহর লোকজন কুরাইশদেরকে বনী হাশিম গোত্রের বিরূদ্ধে ওয়াদাবদ্ধ করেছিল যে, তারা হাশিম গোত্রের সাথে কোনরূপ বৈবাহিক সম্পর্ক গড়বে না, তাদের সাথে ব্যবসা করবে না এবং তাদেরকে কোনরূপ সহযোগিতা করবে না।
উসামাহ বিন যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি বললাম, ইয়া রাসূ্লাল্লাহ ! আমরা আগামীকাল কোথায় অবতরণ করবো? এটা তাঁর (বিদায়) হজ্জের সময়কার কথা। তিনি বলেন,আকীল কি আমাদের জন্য একটি বাড়িও অবশিষ্ট রেখেছে? তিনি পুনরায় বলেনঃ আমরা আগামীকাল বনূ কিনানার ঘাঁটিতে (অর্থাৎ মুহাসসাবে) অবতরণ করবো যেখানে কুরায়াশগণ কুফরীর উপর অবিচল থাকার শপথ করেছিলো। অর্থাৎ বনূ কিনানাহ কুরায়াশদের নিকট থেকে বনু হাশিমের বিরুদ্ধে এই মর্মে প্রতিশ্রুতি আদায় করে যে, তারা শেষোক্ত গোত্রের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন করবে না এবং ব্যবসায়িক লেনদেনও করবে না। মা’মার (রাঃ) বলেন, যুহরী (রাঃ) বলেছেন,আল- খায়ফ অর্থ উপত্যকা। [২৯৪২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।