আবূ জুহাইফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি ‘আলী (রাঃ)-কে বললাম, আপনাদের নিকট কি কিছু লিপিবদ্ধ আছে? তিনি বললেনঃ ‘না, শুধুমাত্র আল্লাহর কিতাব রয়েছে, আর একজন মুসলিমকে যে জ্ঞান দান করা হয় সেই বুদ্ধি ও বিবেক। এছাড়া কিছু এ সহীফাতে লিপিবদ্ধ রয়েছে।’ তিনি [আবূ জুহাইফা (রাঃ)] বলেন, আমি বললাম, এ সহীফাটিতে কী আছে? তিনি বললেন, ‘ক্ষতিপূরণ ও বন্দী মুক্তির বিধান, আর এ বিধানটিও যে, ‘মুসলিমকে কাফির হত্যার বিনিময়ে হত্যা করা যাবে না।’ (১৮৭০, ৩০৪৭, ৩১৭২, ৩১৭৯, ৬৭৫৫, ৬৯০৩, ৬৯১৫, ৭৩০০ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১১২)
আবূ জুহায়ফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আলী (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলাম, যা কুরআনে নেই এমন কিছু আপনাদের নিকট আছে কি? একবার তিনি বলেছেন, যা মানুষের নিকট নেই...তখন তিনি বললেন, ঐ সত্তার কসম! যিনি খাদ্যশস্য অঙ্কুরিত করেন এবং প্রাণ সৃষ্টি করেন! কুরআনে যা কিছু আছে তা ছাড়া আমাদের নিকট অন্য কিছু নেই। তবে এমন জ্ঞান যা আল্লাহ্র কিতাব বুঝবার জন্য কোন ব্যাক্তিকে দেয়া হয় এবং এ কাগজের টুকরায় যা রয়েছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কাগজের টুক্রায় কী রয়েছে? তিনি বললেন, রক্তপণ ও মুক্তিপণের বিধান। আর (এ নীতি) কোন কাফেরের বদলে কোন মুসলিম কে হত্যা করা হবে না। [১২১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৬)
আবূ জুহাইফাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আলী (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনাদের কাছে এমন কিছু আছে কি যা কুরাআনে নেই? তিনি বললেন, দিয়াতের বিধান, বন্দী-মুক্তির বিধান এবং (এ বিধান যে) কাফেরের বদলে কোন মুসলিমকে হত্যা করা যাবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪৭)