আবূ নাযর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাহাবাদের মধ্য থেকে আসলাম গোত্রের এক ব্যক্তির যার নাম ছিল আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা-চিঠি থেকে বর্ণনা করেছেন। এ চিঠি তিনি লিখেছিলেন উমার ইবনু উবাইদুল্লাহ (রাঃ)-এর নিকট, যখন তিনি হারূরিয়্যাহ (খারিজীদের বিরুদ্ধে) অভিযানে যাচ্ছিলেন। এতে তিনি তাঁকে অবহিত করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যেসব যুদ্ধে শত্রু বাহিনীর মুখোমুখি হয়েছিলেন তার কোন একযুদ্ধে অপেক্ষা করতে লাগলেন। অবশেষে যখন সূর্য ঢলে পড়ল তখন তিনি সঙ্গীদের মধ্যে দাঁড়িয়ে বললেনঃহে লোকজন! তোমরা শত্রুর মুখোমুখি হওয়ার আকাঙ্খা করো না। বরং আল্লাহর কাছে নিরাপত্তার প্রার্থনা করো। আর যখন তোমরা শত্রুর সামনা-সামনি হয়ে যাও তখন ধৈর্য ধারণ করবে। আর জেনে রেখো যে, জান্নাত তরবারির ছায়াতলে। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দাঁড়িয়ে দুআ করলেন, ইয়া আল্লাহ! কিতাব অবতীর্ণকারী, মেঘমালা পরিচালনাকারী এবং শত্রুদলকে পরাস্তকারী। তুমি তাদের পরাস্ত করো এবং তাদের উপর আমাদেরকে সাহায্য করো। (ই.ফা. ৪৩৯২, ই.সে. ৪৩৯২)
‘উমার ইবনু ‘উবাইদুল্লাহর মুক্ত দাস সালিম আবূন নাদর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘উমারের সচিব ছিলেন। তিনি বলেন, ‘উমার (রহঃ) হারূরার যুদ্ধে রওয়ানা হলে ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ ‘আওফা (রাঃ) তাকে পত্র লিখে জানালেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কোন কোন যুদ্ধে শত্রুর সম্মুখীন হয়েছেন, তিনি বলেছেনঃ “হে লোকসকল! তোমরা শত্রুবাহিনীর সাক্ষাৎ কামনা করো না, বরং আল্লাহর কাছে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করো। যখন তোমরা শত্রুর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হবে, ধৈর্য ধারণ করবে। আর জেনে রাখো, তরবারির ছায়ার নিচে জান্নাত”। অতঃপর তিনি বললেনঃ “হে আল্লাহ! আপনি কিতাব অবতীর্ণকারী, মেঘমালা পরিচালনাকারী এবং শত্রুবাহিনীকে পর্যুদন্তকারী, আপনি তাদেরকে পরাজিত করুন এবং তাদের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য করুন।”