সুনানে আবু দাউদ অঃ->হজ্জ বাব->আরাফাহ হতে প্রত্যাবর্তন হাঃ-১৯২৩

হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ (রহঃ) হতে তাঁর পিতার থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি উসামাহ্র (রাঃ) কাছে বসা ছিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হাজ্জে কিভাবে পথ চলেছেন সে সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মধ্যম গতিতেই চলেছেন। তিনি প্রশস্ত পথে উপনীত হলে একটু দ্রুত গতিতে পথ অতিক্রম করতেন। হিশাম (রহঃ) বলেন, এরূপ গতিকে ‘আন-নাচ্ছ’ ‘আনাক্ব বলে। [১৯২৩]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->হজ্জ বাব->আরাফাত থেকে প্রত্যাবর্তন হাঃ-৩০১৭

উসামাহ বিন যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরাফাত থেকে প্রত্যাবর্তনকালে কিভাবে পথ অতিক্রম করতেন? তিনি বললেন, তিনি জন্তযানে আরোহিত অবস্থায় কিছুটা দ্রুত গতিতে পথ অতিক্রম করতেন। উন্মুক্ত জায়গা পেলে তিনি দ্রুত চলতেন। ওয়াকী (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ প্রথমোক্ত গতিবেগের তুলনায় অধিক দ্রুত বেগে (চলতেন)। [৩০১৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->আরাফা হতে পথচলা কিরূপে হবে? হাঃ-৩০২৩

উসামা ইবন যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বিদায় হজ্জে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পথচলা সম্বন্ধে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেনঃ তিনি ‘আনাক’ (মাধ্যম ধরনের চাল) অবলম্বন করতেন। যখন তিনি (পথের) উন্মুক্ততা দেখতে পেতেন, তখন তিনি ‘নস’ পদ্ধতিতে (দ্রুত) চলতেন। ‘নস’ বলা হয় ‘আনাক’-এর তুলানায় দ্রুত চলাকে।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->দূর্বলদের জন্য কুরবানীর দিন ফজরের সালাত মিনায় আদায় করার অনুমতি হাঃ-৩০৫১

উরওয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি উসামা ইবন যায়দের সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলাম, তখন তাঁকে প্রশ্ন করা হলো যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হজ্জে মুযদালিফা থেকে ফেরার সময় কিরূপে পথ চলতেন? তিনি বলেনঃ তিনি তাঁর উটনী স্বাভাবিকভাবে চালাতেন, যখন কোন উন্মুক্ত স্থানে উপনীত হন, তখন সওয়ারী দ্রুত চালাতেন।