সহিহ বুখারী অঃ->‘উমরাহ্‌ বাব->হজ্জ, ‘উমরা ও যুদ্ধ হতে ফিরার পরে কি বলবে? হাঃ-১৭৯৭

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখনই কোন যুদ্ধ, বা হজ্জ অথবা ‘উমরা হতে প্রত্যাবর্তন করতেন তখন তিনি প্রত্যেক উঁচু ভূমিতে তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন এবং পরে বলতেনঃ অর্থাৎ “আল্লাহ্‌ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নেই। সর্বময় ক্ষমতা এবং সকল প্রশংসা কেবল তাঁরই। তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান। আমরা প্রত্যাবর্তনকারী ও তাওবাহ্‌কারী, ‘ইবাদতকারী, আমাদের প্রভুর উদ্দেশ্যে সাজদাহ্‌কারী ও প্রশংসাকারী। আল্লাহ্‌ তাঁর ওয়াদা পূর্ণ করেছেন, স্বীয় বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং তিনি একাই সকল শত্রুদলকে পরাজিত করেছেন”।


সহিহ বুখারী অঃ->জিহাদ বাব->জিহাদ হতে ফিরে আসার কালে যা বলবে। হাঃ-৩০৮৪

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিহাদ হতে ফিরতেন, তখন তিনবার তাকবীর বলতেন। অতঃপর বলতেন, আল্লাহ্‌র ইচ্ছায় আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, গুনাহ হতে তওবাকারী, তাঁরই ‘ইবাদতকারী, প্রশংসাকারী, আমাদের প্রতিপালককে সিজ্‌দাকারী। আল্লাহ্‌ তাআলা তাঁর অঙ্গীকার সত্য প্রমাণিত করেছেন, তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং একাই শত্রু দলকে পরাভূত করেছেন।


সহিহ বুখারী অঃ->মাগাযী বাব->খন্দকের যুদ্ধ [৩৬]। এ যুদ্ধকে আহযাবের যুদ্ধ ও বলা হয় হাঃ-৪১১৬

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধ, হাজ্জ, বা ‘উমরাহ্ থেকে ফিরে আসতেন তখন প্রথমে তিনবার তাকবীর বলতেন। এরপর বলতেন, সত্যিকার অর্থে আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। তিনি এক, তাঁর কোন শারীক নেই। রাজত্ব এবং প্রশংসা একমাত্র তাঁরই। সব বিষয়ে তিনিই সর্বশক্তিমান। আমরা তাঁরই কাছে প্রত্যাবর্তনকারী, তওবাহ্কারী, তাঁরই ইবাদাতকারী। আমরা আমাদের প্রভুর কাছে সাজদাহ্কারী, তাঁরই প্রশংসাকারী। আল্লাহ তাঁর ওয়াদা সত্যে পরিণত করেছেন। তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং সম্মিলিত বাহিনীকে পরাভূত করেছেন। (১৭৯৭) (আ.প্র. ৩৮১০, ই.ফা. ৩৮১৩)


সহিহ বুখারী অঃ->দু’আ বাব->সফরের ইচ্ছা করলে কিংবা সফর থেকে প্রত্যাবর্তন করার সময় দু‘আ। হাঃ-৬৩৮৫

আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন যুদ্ধ, হাজ্জ কিংবা ‘উমরাহ থেকে ফিরতেন, তখন প্রত্যেক উঁচু স্থানের উপর তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন। তারপর বলতেনঃ “আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই। তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নেই। রাজত্ব, হাম্‌দও তাঁরই জন্য, তিনি সব কিছুর উপর সর্বশক্তিমান। আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাহ্‌কারী, ইবাদাতকারী, আপন প্রতিপালকের প্রশংসাকারী, আল্লাহ তা‘আলা স্বীয় ওয়াদা রক্ষা করেছেন। তিনি তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন, আর শত্রু দলকে তিনি একাই প্রতিহত করেছেন।”[১৭৯৭; মুসলিম ১৫/৭৬, হাঃ ১৩৪৪, আহমাদ ৪৯৬০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৩০)


সহিহ বুখারী অঃ->কোমল হওয়া বাব->নিরর্থক বাদানুবাদ অপছন্দনীয় হাঃ-৬৪৭৩

মুগীরাহ ইব্‌নু শু‘বাহ (রাঃ)-এর কাতিব্‌ ওয়াররাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মু‘আবিয়াহ (রাঃ) মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহ (রাঃ)-কে চিঠি লিখলেন যে, আপনি আমার কাছে একটা হাদীস লিখে পাঠান, যা আপনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখন মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহ (রাঃ) তাঁর কাছে লিখে পাঠালেন, আশি নিশ্চয়ই নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সালাত থেকে ফিরার সময় বলতে শুনেছি। لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ (অর্থাৎ আল্লাহ্ ব্যতীত কোন মাবূদ নেই। তিনি একক ও অদ্বিতীয়, তাঁর কোন শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং হাম্দ তাঁরই। তিনি সবার উপর শক্তিমান। আর তিনি নিষেধ করতেন অনর্থক কথা নিয়ে বাদানুবাদ করা হতে, অধিক প্রশ্ন করা হতে, মালের অপচয় করা হতে, আর তিনি নিষেধ করেছেন, কৃপনতা ও ভিক্ষা বৃত্তি হতে, মাতাপিতার অবাধ্যতা এবং কন্যাদেরকে জীবন্ত প্রোথিত করা হতে। [৮৪৪] হুশায়ম (রহ.).....আবদুল মালিক (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ওয়াররাদ (রাঃ)-কে আল মুগীরা.....নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০২৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->সলাতের পর যিকির মুস্তাহাব এবং এর বিবরণ হাঃ-১২২৭

মুগীরাহ্‌ ইবনু শু’বাহ্‌ (রাঃ) কর্তৃক আযাদকৃত ক্রীতদাস ওয়ার্‌রাদ থেকে বর্নিতঃ

মুগীরাহ্‌ ইবনু শু’বাহ্‌ (আমীর) মু’আবিয়ার কাছে ওয়ার্‌রাদকে দিয়ে লিখিয়েছিলেন যে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে সলাত শেষে সালাম ফিরিয়ে বলতে শুনেছি...। তবে এ বর্ণনায় (আরবি) বাক্যটির উল্লেখ নেই, কেননা তিনি তা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১২১৬, ই.সে. ১২২৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->হাজ্জের সফর ইত্যাদি থেকে প্রত্যাবর্তন করে যে দু’আ পড়তে হয় হাঃ-৩১৬৯

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিহাদ, অভিযান, হাজ্জ অথবা ‘উমরাহ্ করে ফিরে আসার সময় যখন কোন উঁচু টিলা বা কংকরময় উচ্চভূমিতে আরোহণ করতেন তখন তিনবার “আল্ল-হু আকবার” (আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ) ধ্বনি দিতেন, এরপর এ দু’আ পড়তেন। (অর্থ) “আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তিনি একক, তাঁর কোন শারীক নেই। তাঁরই রাজত্ব (বা সার্বভৌমত্ব), তাঁর জন্য সমস্ত প্রশংসা এবং তিনি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান। (আমরা) প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাহ্কারী, ‘ইবাদাতকারী, আমাদের প্রতিপালককে সাজদাহ্কারী ও প্রশংসাকারী। আল্লাহ তাঁর ওয়া’দা পূর্ণ করেছেন, তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং একাই সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করেছেন”। (ই.ফা. ৩১৪৪, ই.সে. ৩১৪২)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->হাজ্জের সফর ইত্যাদি থেকে প্রত্যাবর্তন করে যে দু’আ পড়তে হয় হাঃ-৩১৭১

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ও আবূ ত্বল্হাহ্ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে প্রত্যাবর্তন করলাম এবং সফিয়্যাহ্ (রাঃ) তাঁর উষ্ট্রীর পিঠে পেছনে সওয়ার ছিলেন। আমরা যখন মাদীনাহ্ শহরতলীতে পৌঁছলাম তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু’আ পড়লেন : (অর্থ) “আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাহ্কারী, আমাদের প্রভুর ‘ইবাদাতকারী, প্রশংসাকারী”। আমরা মাদীনায় প্রবেশ করা পর্যন্ত তিনি অবিরত এ দু’আ পড়তে থাকতেন। (ই.ফা. ৩১৪৬, ই.সে. ৩১৪৪)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->জিহাদ বাব->সফরে উচ্চ স্থানে উঠার সময় তাকবীর বলা হাঃ-২৭৭০

‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধ, হাজ্জ অথবা ‘উমরাহ করে ফেরার সময় কোন উঁচু স্থানে উঠার সময় তিনবার ‘আল্লাহু আকবর’ করতেন এবং বলতেনঃ “আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নাই, মালিকানা ও সার্বভৌমত্ব তাঁরই; তাঁর জন্যই যাবতীয় প্রশংসা, তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। আমারা তাঁরই নিকট প্রত্যাবর্তনকারী, তাঁর কাছেই ক্ষমাপ্রার্থী, তাঁরই ‘ইবাদাতকারী’ আমরা আমাদের রব্বের উদ্দেশেই সাজদাহকারী’ তাঁরই প্রশংসাকারী। আল্লাহ তাঁর ওয়াদা সত্যে পরিণত করেছেন, তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং তিনি একাই শত্রুদেরকে পরাজিত করেছেন।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->হজ্জ বাব->হজ্জ ও উমরা শেষে ফেরার সময় যা বলবে হাঃ-৯৫০

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিহাদ, হজ্জ বা উমরা আদায়ের পর ফেরার সময় যখনই কোন টিলা বা উঁচু জায়গায় উঠতেন তখন তিনবার “আল্লাহু আকবার" বলতেন, তারপর পাঠ করতেনঃ "আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন শারীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সকল প্রশংসা তাঁরই জন্য, তিনি সকল বিষয়ের উপর শক্তিশালী। তাঁর নিকটেই আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাকারী, তাঁরই ইবাদতকারী, তাঁর পথে ভ্ৰমণকারী, আমরা আমাদের প্রভুর প্রশংসাকারী। আল্লাহ্ তার প্রতিশ্রুতি সত্যে পরিণত করেছেন, তার বান্দাহকে সাহায্য করেছেন এবং সম্মিলিত বাহিনীকে একাই পরাস্ত করেছেন। -সহীহ, সহীহ আবূ দাউদ (২৪৭৫), বুখারী, মুসলিম।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->দু’আ সমূহ বাব->সফর হতে ফিরে এসে যে দু’আ পাঠ করবে হাঃ-৩৪৪০

আল-বারাআ ইবনু ‘আযিয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সফর হতে প্রত্যাবর্তন করে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেনঃ “ আমরা (সফর হতে হিফাযাতে) ফিরে আসা ব্যক্তি , তাওবাহকারী ,’ ইবাদাতকারী , আমাদের প্রভুর প্রশংসাকারী।“ সহীহঃ সহীহ আবু দাউদ (হাঃ ২৩৩৯)।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->সালাত শেষে আরেক প্রকার দোয়া হাঃ-১৩৪৩

ওয়াররাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুগীরা ইব্‌ন শুবা (রাঃ) মুয়াবিয়া (রাঃ)-এর কাছে লিখেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) (প্রত্যেক) সালাতের পর যখন সালাম ফিরাতেন তখন বলতেনঃ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، اللَّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->সাফা পাহাড়ে তাকবীর বলা হাঃ-২৯৭২

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফায় (পাহাড়ে) আরোহণ করে তিনবার তাকবীর (আল্লাহু আকবর) বলেন। এরপর তিনি বলেন : (আরবী)১। তিনি এইরূপ তিনবার বলেন, পরে দু'আ করেন। মারওয়া পাহাড়েও তিনি এইরূপ করেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->মারওয়ার উপর অবস্থানের স্থান হাঃ-২৯৮৪

জাবির ইব্‌ন আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মারওয়ায় এসে তার উপর আরোহণ করেন। তারপর বায়তুল্লাহ্‌ তাঁর দৃষ্টিগোচর হলো। তখন তিনি তিনবার বলেন : (আরবি) এরপর তিনি আল্লাহ্‌কে স্মরণ (যিকির) করেন, সুবহানাল্লাহ ও আল-হামদুলিল্লাহ বলেন। তারপর তিনি আল্লাহ্‌র ইচ্ছা অনুযায়ী দু'আ করেন এবং এভাবে তিনি তাওয়াফ সম্পন্ন করেন।