সহিহ বুখারী অঃ->আচার-ব্যবহার বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অশালীন ছিলেন না, আর ইচ্ছে করে অশালীন কথা বলতেন না। হাঃ-৬০৩০

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার একদল ইয়াহূদী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললঃ আস্‌-সামু 'আলাইকুম! (তোমার মরণ হোক)। 'আয়িশাহ (রাঃ) বললেনঃ তোমাদের উপরই এবং তোমাদের উপর আল্লাহ্‌র লা'নত ও গযব পড়ুক। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে 'আয়িশাহ! একটু থামো। নম্রতা অবলম্বন করা তোমাদের কর্তব্য। রূঢ়তা ও অশালীনতা বর্জন করো। 'আয়িশাহ (রাঃ) বললেনঃ তারা যা বলেছে তা কি আপনি শোনেননি? তিনি বললেনঃ আমি যা বললাম, তুমি কি তা শোননি? কথাটি তাদের উপরই ফিরিয়ে দিয়েছি। সুতরাং তাদের ব্যাপারে (আল্লাহর কাছে) আমার কথাই কবুল হবে আর আমার সম্পর্কে তাদের কথা কবুল হবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৯১)


সহিহ বুখারী অঃ->দু’আ বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর বাণীঃ ইয়াহুদীদের সম্পর্কে আমাদের বদ দু’আ কবূল হবে। কিন্তু আমাদের সম্পর্কে তাদের বদ্‌ দু’আ কবূল হবে না। হাঃ-৬৪০১

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার একদল ইয়াহূদী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকট এসে সালাম দিতে গিয়ে বললোঃ ‘আস্‌সামু ‘আলাইকা’। তিনি বললেনঃ ‘ওয়াআলাইকুম’। কিন্তু ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেনঃ ‘আস্‌সামু ‘আলাইকুম ওয়া লা’য়ানাকুমুল্লাহ ওয়া গাযিবা ‘আলাইকুম’ (তোমরা ধ্বংস হও, আল্লাহ্‌ তোমাদের উপর লা’নাত করুন, আর তোমাদের উপর গযব অবতীর্ণ করুন)। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ হে ‘আয়িশাহ তুমি থামো! তুমি নম্রতা অবলম্বন করো, আর তুমি কঠোরতা বর্জন করো। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেনঃ তারা কী বলেছে আপনি কি শুনেননি? তিনি বললেনঃ আমি যা বলেছি, তা কি তুমি শুননি? আমি তো তাদের কথাটা তাদের উপরই ফিরিয়ে দিলাম। কাজেই তাদের উপর আমার বদ্‌’ দু’আ কবূল হয়ে যাবে। কিন্তু আমার ব্যাপারে তাদের বদ দু’আ কবূল হবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৪৬)