সহিহ বুখারী অঃ->মাগাযী বাব->খন্দকের যুদ্ধ [৩৬]। এ যুদ্ধকে আহযাবের যুদ্ধ ও বলা হয় হাঃ-৪১১৫

আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (আঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্মিলিত বাহিনীর বিরুদ্ধে দু’আ করে বলেছেন, হে কিতাব অবতীর্ণকারী ও তৎপর হিসাব গ্রহণকারী আল্লাহ! আপনি সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করুন। হে আল্লাহ! তাদেরকে পরাজিত এবং তাদেরকে প্রকম্পিত করুন। (২৯৩৩) (আ.প্র. ৩৮০৯, ই.ফা. ৩৮১২)


সহিহ বুখারী অঃ->দু’আ বাব->মুশরিকদের উপর বদ দু’আ করা। হাঃ-৬৩৯২

ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (খন্দকের যুদ্ধে) শ্ত্রু বাহিনীর উপর বদ দু’আ করেছেনঃ হে আল্লাহ! হে কিতাব নাযিলকারী! হে ত্বরিৎ হিসাব গ্রহণকারী! আপনি শ্ত্রু বাহিনীকে পরাস্ত করুন। তাদের পরাস্ত করুন এবং তাদের প্রকম্পিত করে দিন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৩৭)


সহিহ বুখারী অঃ->জাহ্‌মিয়াদের মতের খণ্ডন ও তাওহীদ প্রসঙ্গ বাব->আল্লাহ্‌র বানীঃ তা তিনি জেনে শুনে নাযিল করেছেন। আর ফেরেশ্‌তারা এর সাক্ষী। (সূরা আন-নিসা ৪/১৬৬) হাঃ-৭৪৮৯

আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আহযাবের দিনে বলেছেনঃ কিতাব নাযিলকারী, দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী আল্লাহ্ তুমি দলগুলোকে পরাজিত কর এবং তাদেরকে প্রকম্পিত কর। হুমায়দী (রহঃ) এর বর্ণনায় অতিরিক্ত আছে.....‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি .........। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮১)


সহিহ মুসলিম অঃ->জিহাদ ও এর নীতিমালা বাব->শত্রুর সাথে যুদ্ধের সময় (আল্লাহর কাছে বিজয়ের জন্য সাহায্য) প্রার্থনা করা মুস্তাহাব হাঃ-৪৪৩৫

আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সম্মিলিত বাহিনীর বিরুদ্ধে (খন্দকের যুদ্ধে) এভাবে দুআ করলেন যে, হে আল্লাহ! কিতাব নাযিলকারী, দ্রুত হিসেব গ্রহণকারী, তুমি সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করে দাও। হে আল্লাহ! তুমি তাদের পরাজিত করে দাও এবং তাদের কম্পমান করে দাও। (ই.ফা. ৪৩৯৩, ই.সে. ৪৩৯৩)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->জিহাদ বাব->মহান আল্লাহর পথে জিহাদ করা হাঃ-২৭৯৬

আবদুল্লাহ বিন আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাফের বাহিনীসমুহকে বদদোয়া করে বলেনঃ “হে কিতাব নাযিলকারী, দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী আল্লাহ! আপনি বাহিনীসমুহকে পরাস্ত করুন। হে আল্লাহ! আপনি তাদের পরাস্ত করুন এবং তাদের ভীত-কম্পিত করুন। [২৭৯৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->জিহাদ বাব->যুদ্ধের সময় দু’আ করা হাঃ-১৬৭৮

ইবনু আবী আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মুশরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে তাঁকে অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু'আ করার সময় বলতে শুনেছিঃ “হে আল্লাহ! কিতাব অবতীর্ণকারী এবং দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী! শক্রবাহিনীকে পরাজিত কর এবং তাদেরকে ভীত-সন্ত্রস্ত কর"। সহীহ্‌, সহীহ্‌ আবূ দাঊদ (২৩৬৫), নাসা-ঈ