সহিহ বুখারী অঃ->মাগাযী বাব->পরিচ্ছেদ নেই হাঃ-৪০৫৫

সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহূদের দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার জন্য তাঁর তীরাধার খুলে দিয়ে বললেন, তোমার জন্য আমার মাতা-পিতা কুরবান হোক; তুমি তীর চালাতে থাক। [৩৭২৫] (আ.প্র. ৩৭৫৩, ই.ফা. ৩৭৫৬)


সহিহ বুখারী অঃ->মাগাযী বাব->পরিচ্ছেদ নেই হাঃ-৪০৫৭

সা’দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উহূদের দিন আমার জন্য তাঁর পিতা-মাতা উভয়কে একসঙ্গে উল্লেখ করেছেন। এ কথা বলে তিনি বোঝাতে চান যে, তিনি লড়াই করছিলেন এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বলেছেন, তোমার জন্য আমার পিতা-মাতা কুরবান হোক। [৩৭২৫] (আ.প্র. ৩৭৫৫ ই.ফা. ৩৭৫৮)


সহিহ বুখারী অঃ->মাগাযী বাব->পরিচ্ছেদ নেই হাঃ-৪০৫৯

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সা’দ ইবনু মালিক (রাঃ) ব্যতীত অন্য কারো জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর পিতা-মাতার নাম একত্রে উল্লেখ করতে আমি শুনিনি। উহূদ যুদ্ধের দিন আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, তুমি তীর চালিয়ে যাও, আমার পিতা-মাতা তোমার জন্য কুরবান হোক। [২৫] [২৯০৫] (আ.প্র. ৩৭৫৭, ই.ফা. ৩৭৬০)


সহিহ বুখারী অঃ->আচার-ব্যবহার বাব->কোন লোকের এ রকম কথা বলা আমার মা-বাপ আপনার প্রতি কুরবান। হাঃ-৬১৮৪

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আলী (রাঃ) বলেন, আমি সা’দ (রাঃ) ছাড়া আর কারো ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ কথা বলতে শুনিনি যে, আমার মাতা-পিতা তোমার প্রতি কুরবান। আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ হে সা’দ! তুমি তীর চালাও। আমার মাতা-পিতা তোমার প্রতি কুরবান। আমার ধারণা হচ্ছে যে, এ কথা তিনি উহুদের যুদ্ধে বলেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৩৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর ফযিলত হাঃ-৬১২৭

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সা’দ ইবনু মালিক (রাঃ) ব্যতীত আর কারো জন্য রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের মাতা-পিতা দু’জনের উৎসর্গের কথা একত্রে বর্ণনা করেননি। উহুদ যুদ্ধের দিবসে তিনি সা’দকে বলেছিলেন, তীর মারো, সা’দ! আমার পিতা-মাতা তোমার উপর উৎসর্গ হোন। (ই.ফা. ৬০১৫, ই.সে. ৬০৫৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর ফযিলত হাঃ-৬১৩১

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উহুদ যুদ্ধের দিবসে তাঁর জন্য নিজের পিতা ও মাতাকে একসাথে উৎসর্গ করেছিলেন। সা’দ (রাঃ) বলেন, মুশরিকদের এক ব্যক্তি মুসলিমদের উপর অগ্নিমূর্তি ধারণ করেছিল। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃহে সা’দ! তীর নিক্ষেপ করো। আমার পিতা-মাতা তোমার জন্য উৎসর্গ হোক। আমি তাকে কেন্দ্র করে একটা তীর বের করলাম, যাতে ধারালো অংশটি ছিল না। ওটা তাঁর পাঁজরে লাগতেই সে পড়ে গেল, এতে তার গুপ্তাঙ্গ উম্মোচিত হয়ে গেল। ফলে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসলেন: আমি তাঁর মাড়ির দাঁত পর্যন্ত দেখতে পেলাম। (ই.ফা. ৬০১৯, ই.সে. ৬০৫৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->তালহা ও যুবায়র (রাঃ)-এর ফযীলাত হাঃ-৬১৩৯

আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খন্দকের দিবসে আমি এবং ‘উমার ইবনু আবূ সালামাহ্, হাস্সান (ইবনু সাবিত)-এর কিল্লায় নারীদের সঙ্গে ছিলাম। আমি দেখতাম কক্ষনো তিনি আমার দিকে ঝুঁকে পড়তেন আর কোন সময় আমি ঝুঁকে পড়তাম তিনি দেখতেন। আমার বাবাকে আমি চিনে ফেলতাম, যখন তিনি যুদ্ধাস্ত্রে সজ্জিত অবস্থায় ঘোড়ায় চড়ে বানূ কুরাইযার দিকে যেতেন। অপর সূত্রে ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) বলেন, তারপর আমি বাবাকে এ কথা বর্ণনা করলাম। তিনি বললেন, পুত্র! তুমি আমায় দেখেছিলে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! সেদিন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার জন্য তাঁর পিতা-মাতা উভয়কে একত্রে উৎসর্গ করেছেন এবং বলেছেন: তোমার উপর আমার বাবা-মা কুরবান হোক। (ই.ফা. ৬০২৭, ই.সে. ৬০৬৫)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->খাদ্যদ্রব্য বাব->অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভোগ রহিত হওয়া সম্পর্কে হাঃ-৩৭৫৩

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মহান আল্লাহর বাণী: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা একে অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভোগ করো না। তবে ব্যবসায়ের লেনদেন পরস্পরের সন্তুষ্টির ভিত্তিতে হওয়া আবশ্যক…..” (সূরাহ আন-নিসাঃ ২৯)। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর লোকেরা অন্য কারো বাড়িতে আতিথ্য গ্রহণ করা অন্যায় ভাবলো। অতঃপর সূরাহ আন-নূরের মাধ্যমে উপরের আয়াতের হুকুম রহিত করা হলো। মহান আল্লাহ বলেনঃ “এতে কোন দোষ নেই যে, কোন ব্যক্তি নিজেদের ঘর থেকে খাবে… আলাদা আলাদাভাবে খাও” (সূরাহ আন-নূরঃ ৬১) পর্যন্ত। এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পূর্বে অবস্থা এরূপ ছিলো যে, কোন ধনী লোক কাউকে খাওয়ার দাওয়াত দিলে সে বলতো, আমি এর থেকে খাওয়া অন্যায় মনে করি। (আরবি) অর্থ আপত্তি। সে আরো বলতো, এ খাদ্যে আমার চেয়ে দরিদ্ররাই অধিক হকদার। এ প্রেক্ষিতে অন্য মুসলিমের বাড়িতে খাবার গ্রহণ বৈধ করা হয়, যার উপর আল্লাহর নাম নেয়া হয়েছে। আহলে কিতাবদের খাদ্যদ্রব্যও হালাল করা হয়েছে।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->ভূমিকা বাব->সা‘দ বিন আবী ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর সম্মান হাঃ-১২৯

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সা‘দ বিন মালিক ব্যতীত অপর কারো জন্য তার পিতা-মাতাকে একত্রে উল্লেখ করতে দেখিনি। তিনি উহূদের যুদ্ধ চলাকালে তাকে বললেন, হে সা’দ! তীর নিক্ষেপ করো, আমার পিতা তোমার জন্য উৎসর্গিত হোক। [১২৭]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->ভূমিকা বাব->সা‘দ বিন আবী ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর সম্মান হাঃ-১৩০

সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সা‘দ ইবনুল আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উহূদের দিন যুদ্ধ চলাকালে আমার জন্য তাঁর পিতা-মাতাকে একত্র করেছেন। তিনি বলেন, হে সা‘দ! তীর নিক্ষেপ করো, আমার পিতা-মাতা তোমার জন্য উৎসর্গিত হোক। [১২৮]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->শিষ্টাচার বাব->আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরবান হোক -এ কথা বলা হাঃ-২৮৩০

সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহুদের দিন আমার জন্য রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বাবা-মাকে একত্র করে বলেছেনঃ তোমার জন্য আমার বাবা-মা কুরবান হোক। সহীহঃ বুখারী (৩৭২৫), মুসলিম আনুরুপ


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->সা'দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর মর্যাদা হাঃ-৩৭৫৫

আলী ইবনু আবী ত্বালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সা’দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রাঃ) ছাড়া আর কারো লক্ষ্যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর বাবা-মাকে একসাথে কুরবান করতে শুনিনি। উহূদের যুদ্ধের দিন আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ হে সা’দ! তীর নিক্ষেপ কর। তোমার জন্য আমার পিতা-মাতা উৎসর্গ হোক। সহীহঃ বুখারি ও মুসলিম, (২৮২৮) নং হাদীসে পূর্বেও উল্লিখিত হয়েছে।