সহিহ বুখারী অঃ->জিহাদ বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দিবার প্রারম্ভে যুদ্ধারম্ভ না করলে সূর্য ঢলা অবধি যুদ্ধারম্ভ বিলম্ব করতেন। হাঃ-২৯৬৫

‘উমর ইব্‌নু ‘উবাইদুল্লাহ্‌র আযাদকৃত গোলাম ও তার কাতিব সালিম আবূ নাযর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আবূ আওফা (রাঃ) তার মনিবের নিকট পত্র লিখেন যা আমি পাঠ করলাম, তাতে ছিল যে, শত্রুদের সঙ্গে কোন এক মুখোমুখী যুদ্ধে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্য ঢলে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করলেন।


সহিহ মুসলিম অঃ->প্রশাসন ও নেতৃত্ব বাব->শহীদের জন্য জান্নাত অবধারিত হওয়া হাঃ-৪৮১০

‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি- আর তিনি ছিলেন তখন শত্রুর মুখোমুখি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, নিশ্চয়ই জান্নাতের দরজাসমূহ রয়েছে তরবারির ছায়ার নীচে। তখন আলুথালু এক ব্যক্তি উঠে দাঁড়ালো এবং বলল, হে আবূ মূসা! আপনি কি নিজে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন সে ব্যক্তি তাঁর সাথীবর্গের কাছে ফিরে গেলো। তারপর বলল, আমি তোমাদেরকে (বিদায়ী) সালাম জানাচ্ছি। এরপর সে তার তরবারির কোষ ভেঙ্গে ফেলে তা দূরে নিক্ষেপ করলো। তারপর নিজ তরবারিসহ শত্রুদের কাছে গিয়ে তা দিয়ে যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হয়ে গেল। (ই.ফা. ৪৭৬৩, ই.সে. ৪৭৬৪)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->জিহাদের ফযিলত বাব->তলোয়ারের ছায়াতলে জান্নাতের দরজা হাঃ-১৬৫৯

আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ মূসা আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, শত্রুর মোকাবিলায় আমি আমার বাবাকে (যুদ্ধক্ষেত্রে) বলতে শুনেছিঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তলোয়ারের ছায়াতলে জান্নাতের দরজাসমূহ। দলের উস্কখুস্ক একজন লোক বললেন, আপনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কি তা বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। বর্ণনাকারী বলেন, লোকটি তার সঙ্গীদের নিকট ফিরে গিয়ে বললেন, আমি তোমাদের বিদায়ী সালাম জানাচ্ছি। এই বলে তিনি নিজ তলোয়ারের খাপ ভেঙ্গে ফেললেন এবং তলোয়ার দ্বারা (শত্রুর প্রতি) আঘাত হানতে থাকেন। অবশেষে তিনি নিহত হন। সহীহ্‌, ইরওয়া (৫/৭), মুসলিম