সহিহ বুখারী অঃ->জানাযা বাব->কাফন পরানোর পর মৃত ব্যক্তির নিকট গমন করা হাঃ-১২৪৪

জাবির ইব্‌নু ‘আব্দুল্লাহ্‌ (আঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (উহুদ যুদ্ধে) আমার পিতা আব্দুল্লাহ্‌ (রাঃ) শহীদ হয়ে গেলে আমি তাঁর মুখমন্ডল হতে কাপড় সরিয়ে ক্রন্দন করতে লাগলাম। লোকজন আমাকে নিষেধ করতে লাগল। কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে নিষেধ করেননি। আমার ফুফী ফাতিমা (রাঃ) ও ক্রন্দন করতে লাগলেন। এতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি কাঁদ বা না-ই কাঁদ (উভয় সমান) তোমরা তাকে তুলে নেয়া পর্যন্ত ফেরেশতাগণ তাঁদের ডানা দিয়ে ছায়া বিস্তার করে রেখেছেন। ইব্‌নু জুরাইজ (রহঃ) মুহাম্মাদ ইব্‌নু মুন্‌কাদির (রহঃ) সূত্রে জাবির (রাঃ) হতে হাদীস বর্ণনায় শু’বা (রাঃ) এর অনুসরণ করেছেন।


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->জাবির (রাঃ)-এর বাবা ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনু হারাম (রাঃ)-এর ফযিলত হাঃ-৬২৪৯

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমার বাবা উহুদের দিবস শহীদ বলেন, আমি তাঁর মুখায়ব হতে বস্ত্র তুলি আর কাঁদি। ব্যক্তিরা আমাকে নিষেধ করল। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বারণ করেননি। আর ‘আম্রের মেয়ে ফাতিমাও তাঁর জন্য কান্নাকাটি করতে থাকলেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেলেন: তুমি কাঁদো কিংবা না-ই কাঁদো, ফেরেশ্তাগণ তাঁর উপর আপন পাখার ছায়া বিস্তার করে রেখেছিল, যতক্ষণ না তোমরা তাকে তুলে নিয়েছো। (ই. ফা. ৬১৩১, ই. সে. ৬১৭৪)


সুনান নাসাঈ অঃ->জানাযা পর্ব বাব->মৃত ব্যক্তির জন্য ক্রন্দন করা হাঃ-১৮৪৫

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে তাঁর পিতা উহুদের জিহাদের দিনে শহীদ হয়ে গিয়েছিলেন, আমি তাঁর মুখমণ্ডল থেকে কাপড় সরিয়ে ফেলছিলাম এবং ক্রন্দন করছিলাম, আর লোকেরা আমাকে বারণ করছিল কিন্তু রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বারণ করছিলেন না, আমার ফুফুও তাঁর জন্য ক্রন্দন করছিলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি তাঁর জন্য ক্রন্দন করো না, যেহেতু তোমরা তাঁকে উঠিয়ে নেওয়া অবধি ফেরেশতারা তাঁকে স্বীয় ডানা দ্বারা ছায়া দিচ্ছিল।