সহিহ বুখারী অঃ->পানি সেচ বাব->কুয়া নিয়ে ঝগড়া এবং এ ব্যাপারে মীমাংসা। হাঃ-২৩৫৬

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন মুসলমানদের অর্থ সম্পদ (যা তার জিম্মায় আছে) আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা কসম খায়, সে আল্লাহর সঙ্গে এমন অবস্থায় মিলিত হবে যে, আল্লাহ তার উপর অসন্তুষ্ট থাকবেন। এ প্রেক্ষিতে আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেনঃ “যারা আল্লাহর সাথে কৃত প্রতিশ্রুতি এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে ---এর শেষ পর্যন্ত”- (আল ‘ইমরানঃ ৭৭)। এরপর আশ’আস (রাঃ) এসে বলেন, আবূ ‘আবদুর রহমান (রাঃ) তোমার নিকট যে হাদীস বর্ণনা করছিলেন (সে হাদীসে বর্ণিত) এ আয়াতটি তো আমার সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। আমার চাচাতো ভাইয়ের জায়গায় আমার একটি কূপ ছিল। (এ ব্যাপারে আমাদের মধ্যে বিবাদ হওয়ায়) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, তোমার সাক্ষী পেশ কর। আমি বললাম, আমার সাক্ষী নেই। তিনি বললেন, তাহলে তাকে কসম খেতে হবে। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! সে তো কসম করবে। এ সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ হাদীস বর্ণনা করেন এবং আল্লাহ তা’আলা তাকে সত্যায়িত করে এই আয়াতটি অবতীর্ণ করেন। (২৪১৬, ২৫১৫, ২৬৬৬, ২৬৬৯, ২৬৭৩, ২৬৭৬, ৪৫৪৯, ৬৬৫৯, ৬৬৭৬, ৭১৮৩, ৭৪৪৫, ২৩৫৩, ২৪১৭, ২৫১৬, ২৬৬৭, ২৬৭০, ২৬৭৭, ৪৫৫০, ৬৬৬০, ৬৬৭৭, ৭১৮৪, মুসলিম ১/৬১, হাঃ ১৩৮, আহমাদ ৩৫৭৬) (আ.প্র. ২১৮৫, ই.ফা. ২২০২)


সহিহ বুখারী অঃ->ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসা বাব->বিবাদমানদের পরস্পরের আলাপ-আলোচনা সম্পর্কে। হাঃ-২৪১৬

‘আবদুল্লাহ্‌ (ইবনু মাসঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন ব্যক্তি যদি কোন মুসলিমের অর্থ সম্পদ আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা শপথ করে, তা হলে সে আল্লাহর সমীপে এমন অবস্থায় হাযির হবে যে, আল্লাহ তার উপর রাগান্বিত থাকবেন। আশ‘আস (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! এটা আমার সম্পর্কেই ছিল, আমার ও এক ইয়াহূদী ব্যক্তির সাথে যৌথ মালিকানায় এক খন্ড জমি ছিল। সে আমার মালিকানার অংশ অস্বীকার করে বসল। আমি তাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে নিয়ে গেলাম। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, তোমার কোন সাক্ষী আছে কি? আমি বললাম, না। তখন তিনি [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] ইয়াহূদিকে বললেন, তুমি কসম কর। আমি তখন বললাম, হে আল্লাহর রসূল! সে তো কসম করবে এবং আমার সম্পত্তি নিয়ে নেবে। তখন আল্লাহ তা’আলা (এ আয়াত) নাযিল করেন: “যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত প্রতিশ্রুতি এবং নিজেদের শপথকে স্বল্পমূল্যে বিক্রি করে …. আয়াতের শেষ পর্যন্ত”- (আল্‌ ইমরান ৭৭)।


সহিহ বুখারী অঃ->বন্ধক বাব->বন্ধকদাতা ও বন্ধক গ্রহীতার মাঝে বিরোধ দেখা দিলে বা অনুরূপ কোন কিছু হলে বাদীর দায়িত্ব সাক্ষী পেশ করা আর বিবাদীর দায়িত্ব শপথ করা। হাঃ-২৫১৫

‘আবদুল্লাহ্‌ (ইবনু মাসঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মিথ্যা কসম করে যে ব্যক্তি অর্থ-সম্পদ হস্তগত করে সে (কিয়ামতের দিন) আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে এ অবস্থায় যে, আল্লাহ তার প্রতি রাগান্বিত থাকবেন। তারপর আল্লাহ তা‘আলা [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর] উক্ত বাণী সমর্থন করে আয়াত নাযিল করলেন : “নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর সাথে কৃত প্রতিশ্রুতি এবং নিজেদের প্রতিশ্রুতি তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে, তারা পরকালে কোন অংশ পাবে না আর কিয়ামত দিবসে আল্লাহ তাদের সাথে কথাও বলবেন না এবং তাদের প্রতি দৃষ্টিপাতও করবেন না এবং তাদেরকে পবিত্রও করবেন না, আর তাদের জন্য মর্মন্তুদ শাস্তি রয়েছে”- (আল ইমরান ৭৭)। (রাবী বলেন) পরে আশ‘আস ইবনু কায়স (রাঃ) আমাদের কাছে এসে জিজ্ঞেস করলেন, আবূ আবদুর রহমান (ইবনু মাসঊদ) তোমাদের কী হাদীস শুনালেন (রাবী বলেন), আমরা তাকে হাদীসটি শুনালে তিনি বললেন, তিনি নির্ভুল হাদীস শুনিয়েছেন। আমাকে কেন্দ্র করেই তো আয়াতটি নাযিল হয়েছিল। কুয়া (এর মালিকানা) নিয়ে আমার সাথে এক লোকের ঝগড়া চলছিল। পরে আমরা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে বিরোধটি উত্থাপন করলাম। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (আমাকে) বললেন, তুমি দু’জন সাক্ষী উপস্থিত করবে, নতুবা সে হলফ করবে। আমি বললাম, তবে তো সে নির্দ্বিধায় হলফ করে বসবে। তখন রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যে ব্যক্তি মিথ্যা হলফ করে অর্থ-সম্পদ হস্তগত করবে, সে (কিয়ামতের দিন) আল্লাহ্‌র সাথে সাক্ষাৎ করবে এ অবস্থায় যে, আল্লাহ তার প্রতি রাগান্বিত থাকবেন। তিনি (আশ‘আস) বলেন, তখন আল্লাহ তা‘আলা এর সমর্থনে আয়াত নাযিল করলেন। অতঃপর তিনি (আশ‘আস) এই আয়াত : (আরবী) তিলাওয়াত করলেন।


সহিহ বুখারী অঃ->সাক্ষ্যদান বাব->শপথ পাঠ করানোর পূর্বে বিচারক বাদীকে জিজ্ঞেস করবে : তোমার কি কোন প্রমান আছে? হাঃ-২৬৬৬

‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস‘উদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের সম্পদ আত্মসাতের উদ্দেশে মিথ্যা শপথ করবে, (কিয়ামতের দিন) সে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে এমন অবস্থায় যে, আল্লাহ তার উপর অত্যন্ত অসন্তুষ্ট হবেন। রাবী বলেন, তখন আশ‘আস ইবনু কায়স (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! এ বর্ণনা আমার ব্যাপারেই। একখন্ড জমি নিয়ে (এক) ইয়াহুদীর সঙ্গে আমার বিবাদ ছিল। সে আমাকে অস্বীকার করলে আমি তাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হাযির করলাম। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, তোমার কি প্রমান আছে? আশ‘আস (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, না (কোন প্রমাণ নেই)। তখন তিনি (ইয়াহুদীকে ) বললেন, তুমি কসম কর। আশ‘আস (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! তবে তো সে (মিথ্যা) কসম করে আমার সম্পদ আত্মসাৎ করে ফেলবে। আশ‘আস (রাঃ) বলেন, তখন আল্লাহ তা‘আলা আয়াত নাযিল করেন : যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত ওয়াদা এবং নিজের শপথকে তুচছ মূল্যে বিক্রি করে ...... (সূরা আল ‘ইমরান : ৭৭)


সহিহ বুখারী অঃ->সাক্ষ্যদান বাব->মালামাল ও শরীয়াত নির্ধারিত দন্ডের ক্ষেত্রে বিবাদীর শপথ করা। হাঃ-২৬৬৯

‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস‘উদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে এমন (মিথ্যা) কসম করে, যা দ্বারা মাল প্রাপ্ত হয়। সে (ক্বিয়ামাতের দিন) আল্লাহর সঙ্গে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করবে যে, আল্লাহ তার উপর অসন্তুষ্ট, অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা উক্ত বর্ণনার সমর্থনে আয়াত নাযিল করেন : যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত ওয়াদা এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রি করে ........ তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রনাদায়ক আযাব- (সূরা আল ইমরান : ৭৭)। অতঃপর আশ‘আস ইবনু কায়স (রাঃ) আমাদের নিকট বেরিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলেন, আবূ ‘আবদুর রহমান (রহঃ) তোমাদের কী হাদীস শুনিয়েছেন? আমরা তাঁর বর্ণিত হাদীসটি তাঁকে শুনালাম। তিনি বললেন, তিনি (ইবনু মাস‘উদ) ঠিকই বলেছেন। আমার ব্যাপারেই আয়াতটি নাযিল হয়েছে। কিছু একটা নিয়ে আমার সঙ্গে এক ইয়াহূদী ব্যক্তির বিবাদ ছিল। আমরা উভয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আমাদের বিবাদ উত্থাপন করলাম। তখন তিনি বললেন, তোমাকে দু’জন সাক্ষী পেশ করতে হবে অথবা তাকে কসম করতে হবে। তখন আমি বললাম, তবে তো সে মিথ্যা কসম করতে দ্বিধা করবে না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কেউ যদি এমন কসম করে, যার দ্বারা মাল প্রাপ্ত হয় এবং সে যদি উক্ত ব্যাপারে মিথ্যাচারী হয়, তা হলে (কিয়ামতের দিন) সে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে এমন অবস্থায় যে, আল্লাহ তার উপরে অসন্তুষ্ট থাকবেন। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা এ বর্ণনার সমর্থনে আয়াত নাযিল করেন। এ কথা বলে তিনি এ আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন।


সহিহ বুখারী অঃ->শপথ ও মানত বাব->আল্লাহর নামে ও‘য়াদা করা। হাঃ-৬৬৫৯

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ কোন মুসলিমের মাল আত্মসাৎ করার জন্য অথবা বলেছেনঃ তার ভাইয়ের মাল আত্মসাৎ করার জন্য যে ব্যক্তি মিথ্যা কসম করবে, আল্লাহ্‌র সাথে তার সাক্ষাত ঘটবে এমন অবস্থায় যে আল্লাহ্‌ তার উপর রাগান্বিত থাকবেন। এ কথারই সত্যতায় আল্লাহ তা‘আলা-অবতীর্ণ করেনঃ নিশ্চয় যারা আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মুল্যে বিক্রয় করে, এরা আখিরাতের নি’মাতের কোন অংশই পাবে না।


সহিহ বুখারী অঃ->শপথ ও মানত বাব->আল্লাহর নামে ও‘য়াদা করা। হাঃ-৬৬৬০

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

রাবী সুলায়মান তাঁর বর্ণিত হাদীসে বলেন, আশ‘আস ইবনু কায়স্ (রাঃ) যখন পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন তখন জিজ্ঞেস করেন, ‘আবদুল্লাহ তোমাদের কাছে কী বর্ণনা করেছেন? জবাবে লোকেরা তাঁকে কিছু বলল। তখন আশ‘আস (রাঃ) বললেন, এ আয়াত আমার আর আমার এক সাথী সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। আমাদের দু‘জনের মাঝে একটি কুপ নিয়ে বিবাদ ছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০৪)


সহিহ বুখারী অঃ->শপথ ও মানত বাব->আল্লাহ্‌র বাণীঃ নিশ্চয় যারা আল্লাহ্‌র সাথে কৃত অঙ্গীকার এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে, এরা আখিরাতের নি’য়ামতের কোন অংশই পাবে না এবং আল্লাহ্‌ ক্বিয়ামাতের দিন তাদের সঙ্গে কথা বলবেন না, তাদের প্রতি দৃষ্টিপাত করবেন না এবং তাদেরকে পবিত্র করবেন না, বস্তুতঃ তাদের জন্য আছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি- (সূরাহ আলু ‘ইমরান ৩/৭৭)। হাঃ-৬৬৭৬

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি যদি কোন মুসলিমের সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে মিথ্যা শপথ করে তবে আল্লাহর সঙ্গে তার সাক্ষাত হবে এমন অবস্থায় যে, আল্লাহ্ তার ওপর রাগান্বিত থাকবেন। আল্লাহ্ এ কথার সত্যতা প্রমাণে আয়াত ......الآية إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ অবতীর্ণ করেন। [২৩৫৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২০)


সহিহ বুখারী অঃ->শপথ ও মানত বাব->আল্লাহ্‌র বাণীঃ নিশ্চয় যারা আল্লাহ্‌র সাথে কৃত অঙ্গীকার এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে, এরা আখিরাতের নি’য়ামতের কোন অংশই পাবে না এবং আল্লাহ্‌ ক্বিয়ামাতের দিন তাদের সঙ্গে কথা বলবেন না, তাদের প্রতি দৃষ্টিপাত করবেন না এবং তাদেরকে পবিত্র করবেন না, বস্তুতঃ তাদের জন্য আছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি- (সূরাহ আলু ‘ইমরান ৩/৭৭)। হাঃ-৬৬৭৭

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

এরপর আশ’আস ইব্‌নু কায়স (রাঃ) প্রবেশ করে জিজ্ঞেস করলেন যে, আবূ ‘আবদূর রাহমান তোমাদের কাছে কী বর্ণনা করেছেন। লোকেরা বলল, এমন এমন। তখন তিনি বললেন, এ আয়াত আমার ব্যাপারে অবতীর্ণ করা হয়েছে। আমার চাচাত ভাই-এর জমিতে আমার একটি কূপ ছিল। আমি এ ব্যাপারে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হাযির হলাম। তিনি বললেনঃ তুমি প্রমাণ হাযির কর অথবা সে শপথ করুক! আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! এ কথার উপরে সে তো শপথ করেই ফেলবে। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে ব্যাক্তি কোন মুসলিমের সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার মানসে কসম করে, অথচ সে তাতে মিথ্যাচারী, তাহলে ক্বিয়ামতের দিন সে আল্লাহ্‌র সাথে সাক্ষত করবে এমতাবস্থায় যে আল্লাহ্‌ তার উপর রাগান্বিত থাকবেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২০)