সহিহ বুখারী অঃ->গোসল বাব->খুশবু লাগিয়ে গোসল করার পর খুসবুর আসর থেকে গেলে। হাঃ-২৭০

মুহাম্মাদ ইব্‌নু মুনতাশির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ‘আয়িশা (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম এবং আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) এর উক্তি উল্লেখ করলাম,- “আমি এমন অবস্থায় ইহরাম বাঁধা পছন্দ করি না যাতে সকালে আমার দেহ হতে সুগন্ধি ছড়িয়ে পড়ে।” ‘আয়িশা (রাঃ) বললেনঃ আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে সুগন্ধি লাগিয়েছি, তার পর তিনি পর্যায়ক্রমে তাঁর স্ত্রীদের সঙ্গে মিলিত হয়েছেন এবং তাঁর ইহ’রাম অবস্থায় সকাল হয়েছে। (২৬৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৬৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->ইহরাম অবস্থায় মুহরিম ব্যাক্তির সুগন্ধি ব্যবহার হাঃ-২৭৩৩

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দেহে সুগন্ধি মেখে দিতাম। অতঃপর তিনি তাঁর স্ত্রীদের নিকট চক্কর দিতেন, অতঃপর ভোরবেলা সুগন্ধি ঝাড়তে ঝাড়তে ইহরাম বাঁধতেন। (ই.ফা. ২৭১০, ই.সে. ২৭০৯)


সুনান নাসাঈ অঃ->গোসল ও তায়াম্মুম বাব->এক গোসলে সকল স্ত্রীর নিকট গমন হাঃ-৪৩১

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দেহে সুগন্ধি লাগাতাম। তারপর তিনি তার সকল বিবির নিকট গমন করতেন এবং ভোরে মুহরিম অবস্থায় সুবাস ছড়াতে ছড়াতে বের হতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->সুগন্ধির স্থান হাঃ-২৭০৪

ইবরাহীম ইবন মুহাম্মাদ ইবন মুনতাশির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি ইবন উমর (রাঃ)-কে ইহরামের সময় সুগন্ধি ব্যবহার সম্মন্ধে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেনঃ আমার নিকট এ থেকে (আলকাতরা) ব্যবহার করা অধিক পছন্দনীয়। আমি আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট এ ঘটনা ব্যক্ত করলে তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা'আলা আবূ আবদুর রহমান-(ইবন উমর)-কে রহম করুন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সুগন্ধি লাগাতাম। তারপর তিনি তাঁর সকল স্ত্রীদের সাথে মিলিত হতেন। পরে সকাল বেলায়ও এর সুগন্ধি তাঁর থেকে ছড়িয়ে পড়তো।