সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->সময় বলে দেয়ার লোক থাকলে অন্ধ ব্যক্তি আযান দিতে পারে । হাঃ-৬১৭

‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, বিলাল (রাঃ) রাত থাকতেই আযান দেন। কাজেই ইব্‌নু উম্মে মাকতূম (রাঃ) আযান না দেওয়া পর্যন্ত তোমরা (সাহরীর) পানাহার করতে পার। ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, ইব্‌নু উম্মে মাকতূম (রাঃ) ছিলেন অন্ধ। যতক্ষণ না তাঁকে বলে দেওয়া হত যে, ‘ভোর হয়েছে, ভোর হয়েছে’–ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি আযান দিতেন না।


সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->ফজরের সময় হবার পর আযান দেয়া । হাঃ-৬২০

‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বিলাল (রাঃ) রাত থাকতে আযান দিয়ে থাকেন। কাজেই তোমরা (সাহ্‌রী) পানাহার করতে থাক; যতক্ষণ না ইব্‌নু উম্মে মাকতূম (রাঃ) আযান দেন।[১]


সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->ফজরের ওয়াক্ত হবার পূর্বে আযান দেয়া । হাঃ-৬২২

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বিলাল (রাঃ) রাত থাকতে আযান দিয়ে থাকেন। কাজেই, ইব্‌নু উম্মু মাকতূম (রাঃ) যতক্ষণ আযান না দেয়, ততক্ষণ তোমরা (সাহারী) পানাহার করতে পার।


সহিহ বুখারী অঃ->খবরে ওয়াহিদ বাব->সত্যবাদী বর্ণনাকারীর খবরে ওয়াহিদ আযান, সালাত, সওম, ফরয ও অন্যান্য আহ্কামের বিষয়ে অনুমোদনযোগ্য। হাঃ-৭২৪৮

'আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

'আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ বিলাল (রাঃ) রাত থাকতে আযান দেয়, অতএব তোমরা পানাহার কর যতক্ষন না ইব্‌নু উম্মু মাকতূম (রাঃ) আযান দেয়। [১৮৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৫৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সলাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই হাঃ-২৪২৬

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: “বিলাল রাত থাকতে আযান দেয়। তাই তোমরা ইবনু মাকতূমের আযান শুনতে না পাওয়া পর্যন্ত পানাহার করতে থাক”। (ই.ফা. ২৪০৩, ই.সে. ২৪০৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সলাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই হাঃ-২৪২৭

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: “বিলাল রাত থাকতে আযান দেয়। তাই তোমরা ইবনু মাকতূমের আযান না শুনা পর্যন্ত পানাহার করতে থাক”। (ই.ফা. ২৪০৪, ই.সে. ২৪০৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সলাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই হাঃ-২৪২৮

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দু’জন মুয়ায্‌যিন ছিলেন, তারা হলেন, বিলাল (রাঃ) ও উম্মু মাকতূমের অন্ধ ছেলে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ বিলাল (রাঃ) রাতেই আযান দেয়। অতএব ইবনু উম্মু মাকতূম আযান না দেয়া পর্যন্ত তোমরা পানাহার কর। বর্ণনাকারী বলেনঃ দু’জনের আযানের ব্যবধান ছিল যে, একজন আযান দিয়ে নামত অপরজন আযান দিতে আরোহন করত। (ই.ফা. ২৪০৫, ই.সে. ২৪০৫)


সুনান নাসাঈ অঃ->আযান বাব->এক মসজিদের জন্য দু’জন মুয়াযযিন হাঃ-৬৩৭

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : বিলাল (রাঃ) রাত থাকতে আযান দেয় সুতরাং ইব্‌ন উম্মে মাকতূমের আযান না শোনা পর্যন্ত তোমরা পানাহার করতে পার।


সুনান নাসাঈ অঃ->আযান বাব->এক মসজিদের জন্য দু’জন মুয়াযযিন হাঃ-৬৩৮

সালেম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : বিলাল (রাঃ) রাত থাকতে আযান দেয়। সুতরাং ইব্‌ন উম্মে মাকতূমের আযান না শোনা পর্যন্ত তোমরা পানাহার করতে পার।


সুনান নাসাঈ অঃ->আযান বাব->দুই মুয়ায্‌যিন একই সময়ে আযান দিবে, না পৃথক পৃথক আযান দিবে হাঃ-৬৩৯

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : যখন বিলাল (রাঃ) আযান দেয়, তখন থেকে ইব্‌ন উম্মে মাকতূমের আযান পর্যন্ত তোমরা পানাহার করবে। আয়েশা (রাঃ) বলেন : দুই আযানের মধ্যে খুব বেশি ব্যবধান হত না। একজন আযান দিয়ে নেমে আসত, অন্যজন আযান দিতে উঠত।