আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একটি রেশমী জুব্বা হাদিয়া দেয়া হল। অথচ তিনি রেশমী বস্ত্র পরতে নিষেধ করতেন; লোকেরা তা খুব পছন্দ করল। তখন তিনি বললেন, ঐ সত্তার কসম! যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ, অবশ্যই জান্নাতে সা’দ ইবনু মুআ’যের রুমাল এর থেকে বেশি সুন্দর হবে।
বারাআ ইব্নু ‘আযির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট একখানা রেশমী বস্ত্র আনা হল। লোকজন এর সৌন্দর্য এবং কমনীয়তার জন্য সেটা খুব পছন্দ করতে লাগল। তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘অবশ্যই জান্নাতে সা’দ ইব্নু মু’আযের রুমাল এর থেকেও বেশি উত্তম হবে’।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিহি রেশমের একটি জুব্বা উপহার দেয়া হলো। অথচ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রেশম পরিধান করতে বারণ করতেন। তখন লোকেরা তাতে বিস্ময়বোধ করলো! অতঃপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃঐ সত্তার শপথ! যাঁর হাতে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রাণ রয়েছে। নিঃসন্দেহে জান্নাতে সা’দ ইবনু মু‘আযের রুমালগুলো এর তুলনায় অধিক উত্তম। (ই. ফা. ৬১২৭, ই. সে. ৬১৭০)
আল-বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একখানা রেশমী কাপড় উপহার দেয়া হয়। সাহাবীগণ তার কোমলতায় বিস্মিত হন। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা এটা দেখে অবাক হচ্ছ। অথচ জান্নাতে সা’দ ইবনু মু’আযির রুমাল-এর তুলনায় আরো অনেক উন্নত মানের হবে। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
তালহা ইব্ন উবায়দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এলোমেলো চুল বিশিষ্ট এক বেদুঈন রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললো, ইয়া রাসুলুল্লাহ্! আল্লাহ তা’আলা আমার উপর যে সালাতসমূহ ফরয করেছেন সে সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুন। তিনি বললেন, আল্লাহ তা’আলা দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। তবে হ্যাঁ, তুমি যা খুশী নফল আদায় করবে। তারপর সে বললো, আপনি আমাকে আল্লাহ তাআলা আমার উপর যে সাওম (রোযা) ফরয করেছেন সে সমন্ধে অবহিত করুন। তিনি বললেন, রমযান মাসের সাওম (রোযা)। তবে হ্যাঁ, তুমি যা খুশী নফল আদায় করবে। অতঃপর সে বললো, আপনি আমাকে আল্লাহ তা’আলা আমার উপর যে যাকাত ফরয করেছেন সে সমন্ধে অবহিত করুন। তখন রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ইসলামী শরীয়ার আহকাম সম্পর্কে অবহিত করলেন। অতঃপর সে বললো, ঐ সত্তার শপথ, যিনি আপনাকে সম্মানিত করেছেন আমি অতিরিক্ত কোন নফল ও আদায় করবনা এবং আল্লাহ তা’আলা আমার উপর যা যা ফরয করেছেন তাতে কোন কম করব না। তখন রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যদি সে সত্যই বলে থাকে তবে সে কৃতকার্য হয়ে যাবে অথবা তিনি বললেন, যদি সে সত্যই বলে থাকে তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।