জাবালা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা মদীনায় কিছু সংখ্যক ইরাকী লোকের সাথে ছিলাম। একবার আমরা দুর্ভিক্ষের কবলে পতিত হই, তখন ইবনু যুবাইর (রাঃ) আমাদেরকে খেজুর খেতে দিতেন। ইবনু ‘উমর (রাঃ) আমাদের নিকট দিয়ে যেতেন এবং বলতেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাউকে তার ভাইয়ের অনুমতি ব্যতীত এক সাথে দু’টো করে খেজুর খেতে নিষেধ করেছেন।
জাবাল ইবনু সুহায়ম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইবনু যুবায়র-এর ‘আমলে আমাদের উপর দুর্ভিক্ষ আসলো। তখন তিনি খাদ্য হিসেবে আমাদের কিছু খেজুর দিলেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) আমাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। সে সময় আমরা খাচ্ছিলাম। তিনি বললেনঃ একত্রে একাধিক খেজুর খেয়ো না। কেননা, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একসাথে একের বেশি খেজুর খেতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন, তবে কেউ যদি তার ভাইকে অনুমতি দেয়, তবে তাতে কোন দোষ হবে না। শু’বাহ বলেন, অনুমতির কথাটি ইবনু উমারের নিজস্ব কথা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৩৯)
জাবালাহ্ ইব্নে সুহায়ম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইব্নে যুবায়র (রাঃ) আমাদেরকে খাদ্য হিসেবে খেজুর দিতেন। তৎকালীন সময় লোকেরা অনাহারে পতিত হয়েছিল। আমরা তাই খেয়ে থাকতাম। একবার আমরা খাবার খাচ্ছিলাম। তখন ইব্নে ‘উমার (রাঃ) আমাদের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি বললেন, তোমরা একাধিক খেজুর এক সঙ্গে খেও না। কেননা, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক সাথে একাধিক খেজুর খেতে বারণ করেছেন। তবে যদি কেউ তার (সাথী) ভাইয়ের অনুমতি নিয়ে নেয় (তাহলে খেতে পারে)। শু’বাহ (রহঃ) বলেন, আমার ধারণা হয়, অনুমতি নেয়ার কথাটা ইব্নে ‘উমার (রাঃ)-এরই কথা। (ই. ফা. ৫১৬০, ই.সে. ৫১৭২)