সহিহ বুখারী অঃ->শরীয়তের শাস্তি বাব->যিনা ও মদ্য পান। হাঃ-৬৭৭২

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যিনাকার যখন যিনায় লিপ্ত হয় তখন সে মু’মিন থাকে না। কেউ যখন মদপান করে তখন সে মু’মিন থাকে না। যে চুরি করে চুরি করার সময় মু’মিন থাকে না এবং কোন ছিনতাইকারী এমনভাবে ছিনতাই করে যে, মানুষ তার দিকে অসহায় হয়ে তাকিয়ে থাকে; তখন সে মু’মিন থাকে না। [৯৪] ইবনু শিহাব (রহ.).....আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এরকমই বর্ণনা করেন। কিন্তু তাতে النُّهْبَةَ -র উল্লেখ নেই। [২৪৭৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩১৫)


সহিহ বুখারী অঃ->শরীয়তের শাস্তি বাব->চোর যখন চুরি করে। হাঃ-৬৭৮২

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ব্যভিচারী যখন ব্যভিচার করে, তখন সে মু’মিন থাকে না। এবং চোর যখন চুরি করে তখন সে মু’মিন থাকে না। [৯৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩২৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->ঈমান বাব->গুনাহ দ্বারা ঈমানের ক্ষতি হয় এবং গুনাহে লিপ্ত থাকা অবস্থায় ঈমান থাকে না অর্থাৎ ঈমানের পূর্ণতা থাকে না হাঃ-১০৭

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ব্যভিচারী ব্যভিচারে লিপ্ত হয় না ..... বাকী অংশ লুটতরাজের বর্ণনাসহ উপরোক্ত হাদিসের অনূরুপ। তবে এতে মূল্যবান সামগ্রী কথাটির উল্লেখ নেই। ইবনু শিহাব বলেন, সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব ও আবূ সালামাহ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) এর সূত্রে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আবূ বাকরের হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি النُّهْبَةَ ‘ছিনতাইয়ের’ কথা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১০৯; ই.সে. ১১১)


সহিহ মুসলিম অঃ->ঈমান বাব->গুনাহ দ্বারা ঈমানের ক্ষতি হয় এবং গুনাহে লিপ্ত থাকা অবস্থায় ঈমান থাকে না অর্থাৎ ঈমানের পূর্ণতা থাকে না হাঃ-১১২

মারফূ’ সানাদে আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ব্যভিচারী ব্যভিচারে লিপ্ত ……এরপর শু’বার হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১১৩; ই.সে. ১১৭)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->কলহ-বিপর্যয় বাব->লুট-তরাজ ও ছিনতাই নিষিদ্ধ হাঃ-৩৯৩৬

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যেনাকারী যখন যেনায় লিপ্ত হয় তখন সে মুমিন থাকে না। মদ্যপ যখন মদ পানে লিপ্ত হয় তখন সে মুমিন থাকে না। চোর যখন চৌর্যবৃত্তিতে লিপ্ত হয় তখন সে মুমিন থাকে না। আর লুটতরাজ ও ছিনতাইকারী যখন লুটতরাজ ও ছিনতাই করে এবং লোকজন তার দিকে চোখ তুলে তাকায়, তখন সে মুমিন থাকে না। [৩২৬৮]


সুনান নাসাঈ অঃ->চোরের হাত কাটা বাব->চোরের হাত কাটা হাঃ-৪৮৭০

আবূ হুরায়রা (রা) সূত্রে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ যখন কোন ব্যভিচারী ব্যভিচার করে, তখন সে মুমিন অবস্থায় ব্যভিচার করে না, যখন চোর চুরি করে, তখন সে মুমিন অবস্থায় চুরি করে না, যখন কোন মদ্যপায়ী মদ পান করে, তখন সে মুমিন অবস্থায় মদপান করে না, আর যখন কোন ডাকাত লোক চক্ষুর সামনে ডাকাতি করে, তখনও সে মুমিন অবস্থায় ডাকাতি করে না।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিভিন্ন প্রকার পানীয় [ও তার বিধান] বাব->মদপান কি গুরুতর পাপ তার নির্দেশক হাদিসসমূহ হাঃ-৫৬৫৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ব্যভিচারী যখন ব্যভিচার করে, তখন সে মু’মিন অবস্থায় ব্যভিচার করে না। মদখোর যখন মদ পান করে, তখন সে মু’মিন অবস্থায় মদ পান করে না। চোর যখন চুরি করে, তখন সে মু’মিন অবস্থায় চুরি করে না। আর যখন কোন ডাকাত ডাকাতিতে লিপ্ত হয়, আর লোক চোখ তুলে দেখতে থাকে, তখন সেও মু’মিন অবস্থায় ডাকাতি করে না।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিভিন্ন প্রকার পানীয় [ও তার বিধান] বাব->মদপান কি গুরুতর পাপ তার নির্দেশক হাদিসসমূহ হাঃ-৫৬৬০

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন ব্যভিচারী ব্যভিচার করে, তখন সে মু’মিন অবস্থায় ব্যভিচার করে না। চোর যখন চুরি করে, তখন সে মু’মিন অবস্থায় চুরি করে না। আর কেউ যখন মদ পান করে তখন সে মু’মিন অবস্থায় মদ পান করে না এবং যখন কেউ কোন মূল্যবান সম্পদ লুণ্ঠন করে আর মুসলিমগণ তার দিকে তাদের চোখ তুলে তাকিয়ে থাকে, তখন সে মু’মিন অবস্থায় লুণ্ঠন করে না।