উক্বাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার আমরা বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! আপনি আমাদের কোন জায়গায় পাঠালে আমরা এমন কাওমের কাছে হাজির হই, যারা আমাদের মেহ্মানদারি করে না। এ ব্যাপারে আপনার হুকুম কী? তখন তিনি আমাদের বললেনঃ যদি তোমরা কোন কাওমের নিকট হাজির হও, আর তারা তোমাদের মেহ্মানদারীর জন্য উপযুক্ত যত্ন নেয়, তবে তোমরা তা গ্রহন করবে। আর যদি তারা না করে, তা হলে তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের থেকে মেহ্মানদের হক আদায় করে নেবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯৪)
শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) বলেছেনঃ এই পবিত্র গ্রন্থের আবার কখনো বলেছেন এ কুরআনের রক্ষণাবেক্ষণ কর। কেননা মানুষের মন থেকে তা এক পা বাঁধা চতুষ্পদ জন্তুর চেয়েও (অধিক বেগে) পলায়নপর। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) আরও বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন এ কথা না বলে যে, আমি (কুরআন মাজীদের) অমুক অমুক আয়াত ভুলে গিয়েছি। বরং তার থেকে আয়াতগুলো বিস্মৃত হয়ে গিয়েছে (এরূপ বলা উত্তম)। (ই.ফা. ১৭১২, ই.সে. ১৭১৯)
‘উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাদেরকে বাইরে প্রেরণ করে থাকেন। আমরা কোন জনপদে গিয়ে যাত্রাবিরতি করি। তারা আমাদের মেহমানদারী করে না। এ বিষয়ে আপনি কি বলেন? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে বললেনঃ তোমরা যদি কোন সম্প্রদায়ের নিকট অবতরণ করার পর তারা নিজেদের সার্মথ্য মোতাবেক তোমাদের আপ্যায়ন করে তবে তোমরা তা গ্রহন করবে। যদি তারা তা না করে, তবে তাদের কাছ হতে তাদের সামর্থ্যের দিকে লক্ষ রেখে মেহমানের অধিকার আদায় করবে।
উকবাহ বিন আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বললাম, আপনি আমাদেরকে বিভিন্ন স্থানে পাঠিয়ে থাকেন। আমরা এমন সব জনপদে যাত্রাবিরতি করি যারা আমাদের আপ্যায়ন করে না। এ ব্যাপারে আপনার কি অভিমত? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে বলেনঃ যদি তোমরা কোন বসতি এলাকায় যাত্রাবিরতি করো এবং তারা মেহমানের আপ্যায়নযোগ্য ব্যবস্থা করলে তা তোমরা গ্রহণ করো। আর যদি তারা তা না করে, তবে তাদের থেকে তাদের সামর্থ্য অনুসারে মেহমানদারির ন্যায্য দাবি আদায় করো। [৩০০৮]