ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ যেন কোন ব্যক্তির পশুর দুধ তার অনুমতি ব্যতীত দোহন না করে। তোমাদের কেউ কি এটা পছন্দ করবে যে, তার কুটিরে কিছু সঞ্চিত হোক, তারপর অন্য কেউ তার ভান্ডার ভেঙ্গে খাদ্য সামগ্রী বের করে নিয়ে যাক? এমনিভাবে পশুদের স্তন তাদের ধনাগার স্বরূপ, তাতে তারা তাদের খাদ্য সামগ্রী সঞ্চয় করে। অতঃপর কেউ যেন কারো পশুর দুগ্ধ মালিকের বিনানুমতিতে দোহন না করে। (ই.ফা. ৪৩৬২, ই.সে. ৪৩৬২)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কেউ যেন মালিকের অনুমতি ছাড়া মালিকের পশুর দুধ দোহন না করে। তোমাদের কেউ কি পছন্দ করবে যে, কেউ তার গুদাম ঘরে ঢুকে তা ভেঙ্গে তার খান্যদ্রব্য লুটপাট করুক? বস্তুর লোকদের পশুর স্তনসমূহে তাদের খাবার সঞ্চিত থাকে। কাজেই মালিকের অনুমতি ছাড়া তার পশুর দুধ দোহন করবে না।
আবদুল্লাহ বিন উমার(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে বলেনঃ তোমাদের কেউ যেন মালিকের অনুমতি ছাড়া তার পশু দোহন না করে। তোমাদের কেউ কি এটা পছন্দ করে যে, তার ধনভাণ্ডারে অন্য লোক প্রবেশ করে তার ধনভাণ্ডারের দরজা ভেঙ্গে তার খাদ্যদ্রব্য নিয়ে যাক? গবাদি পশুর বাঁট তো তাদের মালিকের জন্য খাদ্যদ্রব্য সঞ্চিত করে রাখে। তাই তোমাদের কেউ যেন অপরের পশুর দুধ তার অনুমতি ব্যতীত দোহন না করে। [২৩০২]