সহিহ মুসলিম অঃ->পানীয় বস্তু বাব->মদ হারাম এবং আঙ্গুরের রস, কাঁচা-পাকা খেজুর এবং কিসমিস ইত্যাদি থেকে তৈরি পানীয় যা নেশাগ্রস্ত করে সেগুলোর বর্ণনা হাঃ-৫০২১

‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বদর দিবসে আমি গনীমাত (যুদ্ধলব্ধ মাল) হতে একটি বয়স্ক উট পেয়েছিলাম। আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আর একটি বয়স্ক উট দিয়েছিলেন। একদিন আমি জনৈক আনসারী ব্যক্তির দরজার সামনে সে দু’টি বেঁধে রাখলাম। আমার আকাঙ্ক্ষা ছিল, সে দু’টির পিঠে করে কিছু ইযখির ঘাস বয়ে আনবো, আর তা বিক্রয় করে ফাতিমাহ্‌ (রাঃ)-এর ওয়ালীমায় সাহায্য নিব। আমার সঙ্গে ছিল বানূ কাইনুকা‘ গোত্রের জনৈক স্বর্ণকার। হামযাহ্‌ ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) সে বাড়িতেই মদ পান করছিল। তার সাথে ছিল একজন গায়িকা। সে (তার গানের মধ্যে) বললঃ (............ আরবি) অর্থাৎ- হে হামযাহ্‌! হৃষ্টপুষ্ট উট দু’টির কাছে যাও এবং মেহমানদের জন্য তা যাবাহ করো। তারপর হামযাহ্‌ ও দু’টির নিকট ছুটে গেল। পরে দু’টিরই কুজ [৩]কেটে ফেললো এবং তাদের পেট ফেড়ে দিল। তারপর সে এ দু’টির কলিজা বের করে নিল। আমি ইবনু শিহাবকে বললাম, তিনি কুজ দু’টি কি করলেন? তিনি বললেন, কুজ দু’টি কেটে সাথে নিয়ে চললেন। ইবনু শিহাব বলেন, ‘আলী (রাঃ) বলেছেন, এ মর্মান্তিক দৃশ্য দেখে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলাম। তাঁর নিকট ছিল যায়দ ইবনু হারিসাহ্‌ (রাঃ)। এরপর আমি তাঁকে পুরো ঘটনা জানালাম। তিনি যায়দ (রাঃ)-কে সঙ্গে নিয়ে বের হলেন। আমিও তাঁর সাথে চললাম। হামযাহ্‌ (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে তিনি তাকে কিছু কঠিন কথা বললেন। হামযাহ্‌ (রাঃ) চোখ তুলে বলল, তোমরা তো আমার বাবার ক্রীতদাস ছাড়া কিছু নও। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পিছন দিকে ফিরে আসলেন। এমনকি তিনি তাদের নিকট থেকে বেরিয়ে চলে এলেন। (ই. ফা. ৬ষ্ঠ খণ্ড-৪৯৬৪, ই. সে. ৪৯৭১) বিঃ দ্রঃ ৪৯৬৪ নম্বরটি ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’ ভুলক্রমে দুইবার দিয়েছে।