সহিহ বুখারী অঃ->হজ্জ বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বানীঃ ‘আকীক বরকতপুর্ণ উপত্যকা। হাঃ-১৫৩৪

‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আকীক উপত্যকায় অবস্থানকালে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ আজ রাতে আমার প্রতিপালকের পক্ষ হতে একজন আগন্তুক আমার নিকট এসে বললেন, আপনি এই বরকতময় উপত্যকায় সালাত আদায় করুন এবং বলুন, (আমার এ ইহ্‌রাম) হজ্জের সাথে ‘উমরাহ’রও। (২৩৩৭, ৭৩৪৩) (আঃপ্রঃ ১৪৩৪, ইঃফাঃ ১৪৪০)


সহিহ বুখারী অঃ->কুরআন ও সুন্নাহ্‌কে দৃঢ়ভাবে ধারণ করা বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা বলেছেন এবং আলেমগণকে ঐক্যের ব্যাপারে যে উৎসাহ দান করেছেন। হাঃ-৭৩৪৩

উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছেনঃ আকীক নামক জায়গায় থাকার সময় এক রাতে আমার রব্বের নিকট হতে একজন আগন্তুক (ফেরেশ্‌তা) আমার কাছে এলেন। তিনি বলেন, এই বারাকাতময় উপত্যকায় সালাত পড়ুন এবং বলুন, ‘উমরা ও হাজ্জের নিয়ত করছি। হারূন ইব্‌নু ইসমাঈল (রহঃ) বলেন, ‘আলী (রাঃ) আমার কাছে হাজ্জের সঙ্গে ‘উমরার নিয়ত করুন’ শব্দ বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৪২)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->হজ্জ বাব->উমরাহ সহ তামাত্তু হজ্জের বর্ণনা হাঃ-২৯৭৬

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে আল-আকীক নামক স্থানে অবস্থানকালে বলতে শুনেছিঃ আমার প্রতিপালক থেকে একজন দূত এসে বলেন, এই বরকতময় উপত্যকায় নামাজ পড়ুন এবং বলুনঃ উমরা ও হজ্জের (ইহরাম)। হাদীসের মূল পাঠ দুহায়ম এর বর্ণনা অনূযায়ী। [২৯৭৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।