‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘উমর (রাঃ) সূত্রে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
যুল-হুলায়ফাহ (‘আকীক) উপত্যকায় রাত যাপনকালে তাঁকে স্বপ্নযোগে বলা হয়, আপনি বরকতময় উপত্যকায় অবস্থান করছেন। [রাবি মূসা ইব্নু ‘উকবা (রহঃ) বলেন] সালিম (রহ।) আমাদেরকে সাথে নিয়ে উট বসিয়ে ঐ উট বসবার স্থানটির খোঁজ করেন, যেখানে ‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘উমর (রাঃ) উট বসিয়ে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর রাত যাপনের স্থানটি খোঁজ করতেন। সে স্থানটি উপত্যকায় মাসজিদের নীচু জায়গায় অবতরণকারীদের ও রাস্তার একেবারে মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। (১৭৮৯, ১৮৪৭, ৪৩২৯, ৪৯৮৫, মুসলিম ১৫/৭৭, হাঃ ১৩৪৬) (আঃপ্রঃ ১৪৩৫, ইঃফাঃ ১৪৪১)
সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রহঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুল হুলায়ফার উপত্যকার কেন্দ্রস্থলে অবস্থানকালে রাতের বিশেষ প্রহরে তাঁর নিকট (কোন মালাক) আবির্ভূত হয় এবং বলা হয়ঃ আপনি বারাকাতপূর্ণ কংকরময় স্থানে (অবস্থান করছেন)। মূসা ‘উক্ববাহ্ (রহঃ) বলেন, সালিম (রহঃ) আমাদের সাথে সফরকালে মাসজিদের নিকট তাঁর উট বসাতেন যেখানে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) নিজের উট বসাতেন এবং এ স্থানকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অবতরণ (অবস্থান) স্থল মনে করতেন। স্থানটি উপত্যকার কেন্দ্রস্থলে নির্মিত মাসজিদের নিম্নদেশের সমতলে মাসজিদ ও ক্বিব্লার মাঝখানে অবস্থিত। (ই.ফা. ৩১৫২, ই..সে. ৩১৪৯)