সহিহ বুখারী অঃ->ক্রয়-বিক্রয় বাব->এক অংশীদার কর্তৃক (তার অংশ) থেকে অপর অংশীদারের কাছে বিক্রি করা হাঃ-২২১৩

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে সম্পত্তির ভাগ বাঁটোয়ারা হয় নি, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাতে শুফ’আ [১৬] এর অধিকার প্রদান করেছেন। যখন সীমানা নির্ধারিত হয়ে যায় এবং রাস্তা ভিন্ন করা হয়, তখন আর শুফ’আ এর অধিকার থাকবে না।


সহিহ বুখারী অঃ->ক্রয়-বিক্রয় বাব->এজমালী জমি, বাড়ি ও অন্যান্য আসবাবপত্র বিক্রি করা হাঃ-২২১৪

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সম্পত্তির ভাগ-বাঁটোয়ারা হয় নি, তার মধ্যে শুফ’আ লাভের ফায়সালা প্রদান করেছেন। তারপর যখন সীমানা নির্ধারিত হয়ে যায় এবং স্বতন্ত্র করা হয় তখন আর শু’ফআ এর অধিকার থাকবে না। (ই.ফা. ২০৭২) মুসাদ্দাদ (রহঃ) …………আবদুল ওয়াহিদ (রহঃ) হতে এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, যে সম্পদ ভাগ-বাঁটোয়ারা হয় নি (তাতে শু’ফআ)। হিশাম (রহঃ) মা’মর (রহঃ) হতে হাদীস বর্ণনায় মুসাদ্দাদের অনুসরণ করেছেন। আবদুর রায্‌যাক (রহঃ) বলেছেন, যে সম্পদের ভাগ-বাঁটোয়ারা হয় নি, সে সব সম্পদেই (শুফ’আ রয়েছে)। হাদীসটি আবদুর রহমান ইব্‌নু ইসহাক (রহঃ) যুহরী (রহঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। (২২১৩) (আ.প্র. ২০৫৭, ই.ফা. ২০৭৩)


সহিহ বুখারী অঃ->অংশীদারিত্ব বাব->জমি (বাড়ী বাগান) ইত্যাদিতে অংশীদারিত্ব। হাঃ-২৪৯৫

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে সব (স্থাবর) সম্পত্তি এখনো ভাগ করা হয়নি, সেগুলোর ক্ষেত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শুফ‘আ এর (তথা ক্রয়ের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার) বিধান দিয়েছেন। এরপর সীমানা ঠিক করা হলে এবং পথ আলাদা করে নেয়া হলে শুফ‘আর অধিকার থাকে না।


সহিহ বুখারী অঃ->অংশীদারিত্ব বাব->যদি অংশীদাররা ঘর, বাগান ইত্যাদি ভাগ করে নেয় তবে পুনরায় একত্রিত করার এবং শুফ‘আ দাবি করার হক তাদের থাকে না। হাঃ-২৪৯৬

জাবীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সব ধরনের অবণ্টিত স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে শুফ‘আর ফায়সালা দিয়েছেন। এরপর সীমানা নির্ধারণ করে পথ আলাদা করে নেয়া হলে শুফ‘আর অধিকার থাকে না।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->ইজারা (ভাড়া ও শ্রম বিক্রয়) বাব->শুফ‘আহ হাঃ-৩৫১৪

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন সম্পত্তিতে শুফ‘আর ব্যবস্থা রেখেছেন যা এখনও বণ্টন করা হয়নি। সীমানা চিহ্নিত হয়ে গেলে এবং পৃথক রাস্তা করা হয় আর শুফ‘আর অধিকার থাকে না। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২৪৯৯)।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->অগ্র-ক্রয়াধিকার বাব->সীমানা নির্ধারিত হয়ে গেলে শুফআর অধিকার থাকেনা। হাঃ-২৪৯৭

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এজমালী সম্পত্তিতে শুফআর ফয়সালা দিয়েছেন। সীমানা নির্ধারিত হয়ে গেলে শুফআর অধিকার থাকে না। [উপরোক্ত হাদীসে মোট ৩টি সানাদের ২টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলোঃ ] ২/২৪৯৭ (১) . আবূ হুরায়রা (রাঃ) , নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। আবূ আসিম (রাঃ) বলেন, সাঈদ ইবনুল মুসায়্যাবের রিওয়ায়াতটি মুরসাল এবং আবূ সালামাহ- আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রের রিওয়ায়াতটি মুত্তাসিল। [২৪৯৭]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->অগ্র-ক্রয়াধিকার বাব->সীমানা নির্ধারিত হয়ে গেলে শুফআর অধিকার থাকেনা। হাঃ-২৪৯৯

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রত্যেক এজমালী সম্পত্তিতে শুফআর (ক্রয়ে অগ্রাধিকার থাকার) ব্যবস্থা করেছেন। (বণ্টনের পর প্রত্যেকের) সীমানা নির্ধারিত হয়ে গেলে এবং রাস্তা হয়ে গেলে আর শুফআর অধিকার থাকে না। [২৪৯৯]