আবুল বাখ্তারী তাঈ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)- কে খেজুরে ‘সলম’ করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খেজুর খাবার যোগ্য এবং ওজন করার যোগ্য হওয়ার আগে বিক্রি করা নিষেধ করেছেন। ঐ সময় এক ব্যক্তি বলল, কী ওজন করবে? তাঁর পাশের এক ব্যক্তি বলল, সংরক্ষিত হওয়া পর্যন্ত। মুআয (রহঃ) সূত্রে শু’বা (রহঃ) হতে আমর (রহঃ) হতে বর্ণিত, আবুল বাখ্তারী (রহঃ) বলেছেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)- কে বলতে শুনেছি যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ (করতে) নিষেধ করেছেন।
আবুল বাখতারী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমর (রাঃ)- কে খেজুর ‘সলম’ করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, আহারযোগ্য হবার পূর্বে ফল বিক্রি করতে ‘উমর (রাঃ) নিষেধ করেছেন এবং তিনি নগদ সোনা বা রূপার বিনিময়ে বাকীতে সোনা বা রূপা বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। আমি এ সম্পর্কে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)- কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাওয়ার এবং ওজন করার যোগ্য হবার পূর্বে খেজুর বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। আমি বললাম, এর ওজন করা কী? তখন তার নিকটে বসা একজন বলে উঠল, (অর্থাৎ) সংরক্ষণের উপযোগী হওয়া পর্যন্ত।
আবুল বাখতারী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমর (রাঃ)- কে খেজুর ‘সলম’ করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, আহারযোগ্য হবার পূর্বে ফল বিক্রি করতে ‘উমর (রাঃ) নিষেধ করেছেন এবং তিনি নগদ সোনা বা রূপার বিনিময়ে বাকীতে সোনা বা রূপা বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। আমি এ সম্পর্কে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)- কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাওয়ার এবং ওজন করার যোগ্য হবার পূর্বে খেজুর বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। আমি বললাম, এর ওজন করা কী? তখন তার নিকটে বসা একজন বলে উঠল, (অর্থাৎ) সংরক্ষণের উপযোগী হওয়া পর্যন্ত।
আবূল বুখ্তারী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট গাছে থাকা খেজুর বিক্রি বিষয়ে জানতে চাইলাম। তখন তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গাছের খেজুর বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন যতক্ষণ না তা খাওয়া যায় বা খাওয়ার যোগ্য হয় এবং ওজন করা যায়। রাবী বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম কিভাবে ওজন করবে? তখন তার পাশেই অবস্থানকারী জনৈক ব্যক্তি উত্তর দিল- পরিমাণ করবে। (ই.ফা. ৩৭৩০, ই.সে. ৩৭৩০)