আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুযাবানাহ্ নিষেধ করেছেন। অর্থাৎ- বাগানে যদি খেজুর গাছ থাকে তবে তার কাঁচা খেজুর পরিমাপ করে শুকনো খেজুরের বিনিময়ে ক্রয়-বিক্রয় করা। আর যদি আঙ্গুর থাকে তবে তা পরিমাপ করে কিশমিশের বিনিময়ে ক্রয়-বিক্রয় করা। আর যদি তা ক্ষেতের ফসল হয় তবে তার পরিমাণ অনুমান করে সে পরিমাণ খাদ্য ক্রয়-করা-এসব করতে তিনি নিষেধ করেছেন। কুতাইবার অন্য বর্ণনায় রয়েছে “অথবা যদি তা ক্ষেতের ফসল হয়”। (ই.ফা. ৩৭৫৫, ই.সে. ৩৭৫৫)
আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুষাবানা ধরনের ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। বাগানের তাজা খেজুর গাছে থাকা অবস্থায় (সংগৃহীত) ওজনকৃত শুকনো খেজুরের বিনিময়ে বিক্রয় করাকে ‘মুযাবানা’ বলে। অনুরূপভাবে তাজা আঙ্গুর ওজনকৃত শুকনা আঙ্গুর (কিশমিশ) - এর বিনিময়ে বিক্রয় করা, ক্ষেতের শস্য (সংগৃহীত) ওজনকৃত শস্যের বিনিময়ে বিক্রয় করাও (মুযাবানার অন্তর্ভুক্ত)। তিনি এই প্রকারের লেনদেন করতে নিষেধ করেছেন। [২২৬৫]
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘মুযাবানা’ ধরনের ক্রয়-বিক্রয় হতে নিষেধ করেছেন, আর তা খেজুরের ক্ষেত্রে এরূপ: বাগানের গাছে যে খেজুর রয়েছে, তা নির্দিষ্ট পরিমাণ খেজুরের বিনিময়ে বিক্রী করা। আর আঙ্গুরের ক্ষেত্রে এরুপঃ বাগানের গাছে যে আঙ্গুর আছে, তা নির্দিষ্ট পরিমান কিশমিশের বিনিময়ে বিক্রি করা। আর তা শস্যের মধ্যে এরূপ যে, ক্ষেতে যে শস্য আছে, তা নির্দিষ্ট পরিমাণ কর্তিত খাদ্য শস্যের বিনিময়ে বিক্রী করা। এই সকল প্রকারকেই তিনি নিষেধ করেছেন।