আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক সাহাবী বাকী’ নামক স্থানে আবুল কাসিম বলে (কাউকে) ডাক দিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে তাকালেন। তিনি বললেন, আমি আপনাকে উদ্দেশ্য করিনি। তখন তিনি বললেন, তোমরা আমার নামে নাম রাখ কিন্তু আমার কুনিয়াতে কারো কুনিয়াত রেখ না।
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে এক জনের পুত্র জন্মে। সে তার নাম রাখল কাসিম। তখন আনসারগণ বললেন, আমরা তোমাকে আবুল কাসিম কুনীয়াত ব্যবহার করতে দিব না এবং এর দ্বারা তোমার চক্ষু শীতল করব না। সে ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমার একটি পুত্র জন্মেছে। আমি তার নাম রেখেছি কাসিম। তখন আনসারগণ বললেন, আমরা তোমাকে আবুল কাসিম কুনীয়াত ব্যবহার করতে দিব না এবং এর দ্বারা তোমার চক্ষু শীতল করব না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘আনসারগণ ঠিকই করেছে। তোমরা আমার নামে নাম রাখ, কিন্তু কুনীয়াতের মত কুনীয়াত ব্যবহার করো না। কেননা, আমি তো কাসিম (বণ্টনকারী)।’
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন বাজারে গিয়েছিলেন। তখন এক ব্যক্তি ‘হে আবুল কাসিম!’ বলে ডাক দিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেদিকে ফিরে তাকালেন। তখন তিনি বললেন, তোমরা আমার আসল নামে নাম রাখতে পার, কিন্তু আমার উপনামে কারো নাম রেখ না।
জাবির (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বললেন, আমার আসল নামে অন্যের নামকরণ করতে পার, কিন্তু আমার উপনাম অন্যের জন্য রেখোনা।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূল কাসিম (নবী) (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমার নামে নামকরণ করতে পার, কিন্তু আমার উপনামে তোমাদের নাম রেখ না।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমাদের এক লোকের একটি ছেলে জন্মাল। সে তার নাম রাখলো ‘কাসিম’। তখন লোকেরা বললঃ আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞেস না করা পর্যন্ত তাকে এ কুন্ইয়াতে ডাকবো না। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা আমার নামে নাম রেখো, কিন্তু আমার কুন্ইয়াতে কারো কুন্ইয়াত রেখো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৪১)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা আমার নামে নাম রেখো, কিন্তু আমার কুন্ইয়াতে কুন্ইয়াত রেখো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৪২)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বাকী’ নামক স্থানে এক লোক আর এক লোককে ডাক দিল- হে আবুল কাসিম! তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে দৃষ্টি দিলেন। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি আপনাকে উদ্দেশ্য করিনি; আমি তো অমুককে ডেকেছি। সে সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমার নামে তোমরা নাম রাখো; কিন্তু আমার উপনামে তোমরা নামকরণ করো না।[১] (ই.ফা. ৫৪০১, ই.সে. ৫৪২৩)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বললেন, আমাদের মাঝে একজন লোকের একটি পুত্র সন্তান জন্ম নিলো। সে তার নাম দিল ‘মুহাম্মাদ’। আমরা বললাম, তোমাকে আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নামের দ্বারা তোমার কুন্ইয়াত রাখতে দিব না, যতক্ষণ তুমি তাঁর অনুমতি না নিবে। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর সে তাঁর নিকট গিয়ে বলল যে, আমার একটি ছেলে জন্ম নিয়েছে। আমি রসূলুল্লাহর নামে তার নাম রেখেছি। ওদিকে আমার সম্প্রদায়ের লোকেরা সে নাম দিয়ে আমার উপনাম বলতে অস্বীকৃতি জানায়। (তারা বলল) যতক্ষণ তুমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অনুমতি গ্রহণ না করো। এরপর তিনি বললেনঃ তোমরা আমার নামে নাম রাখো, আমার উপনামে নাম রেখো না। কারণ, আমাকে ‘কাসিম’ (বণ্টনকারী) হিসেবে পাঠানো হয়েছে; আমি তোমাদের মাঝে বণ্টন করার দায়িত্ব পালন করি। (ই.ফা. ৫৪০৪, ই.সে. ৫৪২৬)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক আনসারী লোকের একটি পুত্র সন্তান জন্ম নিলে সে তার নাম ‘মুহাম্মাদ’ রাখা ইচ্ছা করল। তখন সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করলো, তিনি বললেনঃ আনসারীরা ভাল কর্ম করেছে। আমার নামে তোমরা নাম রাখো, তবে আমার উপনামে উপনাম রেখো না। (ই.ফা. ৫৪০৮, ই.সে. ৫৪৩০)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমার আমার নামে নাম রাখো এবং আমার উপনাম হিসেবে উপনাম রেখো না। ‘আম্র (রহঃ) তার বর্ণনাতে বলেছেন, ‘আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) হতে বর্ণিত’ এবং তিনি এই উক্তিটি করেননি বলতে শুনেছি। (ই.ফা. ৫৪১২, ই.সে. ৫৪৩৪)
আবূ ওয়াহব আল্-জিশামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা নবী-রাসূলগণের নামে নামকরণ করো। আল্লাহর নিকট সবচেয়ে পছন্দনীয় নাম হলো ‘আবদুল্লাহ ও ‘আবদুর রহমান। নামের মাঝে হারিস ও হাম্মাম হলো বিশ্বস্ত নাম এবং হারব ও মুররাহ হলো সবচেয়ে নিকৃষ্ট নাম। সহীহ, তার এ কথাটি বাদে: “তোমরা নবী-রাসূলগণের নামে নামকরণ করো”।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা আমার নামে নাম রেখো, কিন্তু আমার উপনামে নাম রেখো না। [৩০৬৭]
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা আমার নামে নাম রাখো, কিন্তু আমার উপনামে নাম রেখো না। [৩০৬৮]
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘বাকী‘’ নামক স্থানে ছিলেন। তখন এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে ডাক দিয়ে বললো, হে আবুল কাসিম! এতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে ফিরে তাকালেন। সে বললো, আমি আপনাকে ডাকিনি। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা আমার নামে নাম রাখো, কিন্তু আমার উপনামে নাম রেখো না। [৩০৬৯]