সহিহ মুসলিম অঃ->মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর বাব->সলাতে তন্দ্রাচ্ছন্ন হলে অথবা কুরআন পাঠ ও যিক্‌রে জিহবা জড়িয়ে যেতে লাগলে, ঘুমিয়ে পড়া কিংবা বিশ্রাম নেয়ার আদেশ, যাতে তা কেটে যায় হাঃ-১৭২০

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ সলাত আদায়কালে তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়লে শুয়ে ঘুমিয়ে নিবে এবং তন্দ্রা বা ঘুম দূর হলে পরে আবার সলাত আদায় করবে। কারণ, তোমরা কেউ হয়ত তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় সলাত আদায় করলে দু'আ ও ক্ষমা প্রার্থনার স্থলে নিজেকে ভৎর্সনা (বদ্‌দু'আ) করে ফেলবে। (ই.ফা. ১৭০৫, ই.সে. ১৭১২)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->নফল সালাত বাব->সলাতের মধ্যে তন্দ্রা এলে হাঃ-১৩১০

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সলাতরত অবস্থায় তোমাদের কারো ঝিমনি এলে ঝিমনি দূর না হওয়া পর্যন্ত সে যেন অবশ্যই শুয়ে পড়ে। কেননা কেউ ঘুমের ঘোরে সলাত আদায় করলে হয়ত সে নিজের ক্ষমা চাওয়ার পরিবর্তে নিজেকে গালি দিবে। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->সালাতরত ব্যাক্তি তন্দ্রাচ্ছন্ন হলে। হাঃ-১৩৭০

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সালাতরত অবস্থায় তোমাদের কেউ তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়লে সে যেন শুয়ে যায়, যাবত না তার ঘুম দূরীভূত হয়। কেননা তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় সালাত পড়লে, কী বলা হচ্ছে, তা সে জানে না। হয়তো সে ক্ষমা প্রার্থনা করতে গিয়ে নিজেকে গালি দিয়ে বসবে। [১৩৭০]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->সালাত (নামায) বাব->তন্দ্রা অবস্থায় নামায আদায় করা উচিত নয় হাঃ-৩৫৫

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নামাযরত অবস্থায় তোমাদের কারও ঘুম আসলে সে যেন প্রথমে ঘুমিয়ে নেয়। তাতে তার ঘুমের আবেশ কেটে যাবে। কেননা সে যদি তন্দ্রা অবস্থায় নামায আদায় করে তবে এরূপ হওয়া মোটেই অসম্ভব নয় যে, সে গুনাহের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করতে গিয়ে নিজেকে গালি দিবে। সহীহ্। ইবনু মাজাহ-(১৩৭০), বুখারী ও মুসলিম।