ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্রেতা ও বিক্রেতার একজনের অপরের উপর (ক্রয়-বিক্রয় ভঙ্গ করার) ইচ্ছা-স্বাধীনতা থাকবে, যতক্ষণ তারা একে অপর থেকে আলাদা না হয়। তবে ইখতিয়ারের শর্তে ক্রয়-বিক্রয় হয়ে থাকলে তা ভিন্ন কথা। (ই.ফা.৩৭১০,ই.সে. ৩৭১০)
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রা.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্রেতা ও বিক্রেতা যখন ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন করে তখন তাদের প্রত্যেকেরই ক্রয়-বিক্রয় প্রত্যাখ্যান করার ব্যাপারে সুযোগ থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত তারা একে অন্যের থেকে পৃথক না হয়ে যায়। অথবা যদি ক্রয়-বিক্রয় খিয়ারের শর্তে (নির্দ্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্রয়-বিক্রয় ঠিক রাখা না রাখার শর্ত) হয়ে থাকে তখনও খিয়ার বহাল থাকবে। ইবনু আবূ ‘উমারের বর্ণনায় আরো রয়েছে- নাফি’ বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) যখন কারো সাথে ক্রয়-বিক্রয় করতেন এবং তিনি তা বহাল রাখতে চাইতেন, তখন উঠে গিয়ে এদিক সেদিক কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করতেন, তারপর দ্বিতীয়পক্ষের নিকট আবার প্রত্যাবর্তন করতেন। (ই.ফা. ৩৭১৩, ই.সে. ৩৭১৩)
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পরস্পর বিচ্ছিন্ন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতার উভয়ের জন্য সুযোগ থাকে। তবে ‘সুযোগ থাকার’ শর্ত রাখা হলে ভিন্ন কথা। সহীহ : ইবনু মাজাহ (২১৮১)।
আব্দুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়ের জন্য তার সাথীর বিপরীতে ইখতিয়ার (ইচ্ছাধিকার) থাকবে, যাবত না তারা পৃথক হয়ে যায়। তবে ইখতিয়ারের শর্তে ক্রয়-বিক্রয় ব্যতীত (অর্থাৎ সেক্ষেত্রে পৃথক হওয়ার পরও ইখতিয়ার থাকবে)।