সহিহ মুসলিম অঃ->ক্রয়-বিক্রয় বাব->ক্রেতা ও বিক্রেতার জন্যে খিয়ারে মাজলিস (ক্রয়-বিক্রয় ভঙ্গে ইচ্ছা-স্বাধীনতা) থাকবে হাঃ-৩৭৪৫

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্রেতা ও বিক্রেতার একজনের অপরের উপর (ক্রয়-বিক্রয় ভঙ্গ করার) ইচ্ছা-স্বাধীনতা থাকবে, যতক্ষণ তারা একে অপর থেকে আলাদা না হয়। তবে ইখতিয়ারের শর্তে ক্রয়-বিক্রয় হয়ে থাকলে তা ভিন্ন কথা। (ই.ফা.৩৭১০,ই.সে. ৩৭১০)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->ইজারা (ভাড়া ও শ্রম বিক্রয়) বাব->দ্রব্যমূল্য নির্ধারণ করে দেয়া হাঃ-৩৪৫০

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা এক ব্যক্তি এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! দ্রব্যমূল্য নির্ধারণ করে দিন। তিনি বললেনঃ বরং আমি দু‘আ করবো। এরপর আরেক ব্যক্তি এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! দ্রব্যমূল্য নির্ধারণ করুন। তিনি বললেনঃ বরং আল্লাহই (জিনিসের দাম) কমান-বাড়ান। আমি আশা করি, আমি যেন আল্লাহর সাথে এমন অবস্থায় মিলিত হই, আমার বিরুদ্ধে কারো প্রতি জুলুমের কোন অভিযোগ থাকবে না। সহীহঃ রাওযুন নাযীর (৪০৫)।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->ইজারা (ভাড়া ও শ্রম বিক্রয়) বাব->ক্রেতা- বিক্রেতার এখতিয়ার সম্পর্কে হাঃ-৩৪৫৭

আবুল ওয়াদী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা আমাদের কোন একটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলাম। আমরা এক জায়গায় যাত্রাবিরতি করি। তখন আমাদের একজন একটি গোলামের বিনিময়ে একটি ঘোড়া বিক্রি করে। অতঃপর তারা (ক্রেতা-বিক্রেতা) উভয়ে অবশিষ্ট দিন ও রাত একত্রে অবস্থান করে। অতঃপর পরদিন সকালে বিদায়ের পালা আসলে ক্রেতা তার ঘোড়ার পিঠে জিন বাঁধতে শুরু করলো। এমন সময় বিক্রেতা লজ্জিত অবস্থায় ক্রেতার নিকট এসে চুক্তি বাতিল করে ঘোড়া ফেরত দেওয়ার জন্য অনুরোধ করলো। কিন্তু ক্রেতা তাকে ঘোড়া ফেরত দিতে অস্বীকার করায় বিক্রেতা বললো, তোমার ও আমার মধ্যকার বিবাদ নিষ্পত্তি করে দিবেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবী আবূ বারযা (রাঃ)। তারা উভয়ে তাকে ঘটনাটি জানালে তিনি তাদেরকে বললেন, আমি তোমাদেরকে এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ফায়সালার অনুরূপ সিদ্ধান্ত দিবো, তোমরা কি এতে রাজি আছো? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পরস্পর বিচ্ছিন্ন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের জন্য অবকাশ থাকে। হিশাম ইবনু হাস্‌সান (রহঃ) বলেন, জামীল (রহঃ) বর্ণনা করেছেন, আবূ বারযা (রাঃ) বললেন, আমি দেখছি তোমরা এখনো বিচ্ছিন্ন হওনি। সহীহঃ ইবনু মাজাহ(২১৮২)।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->ব্যবসা-বাণিজ্য বাব->ক্রেতা-বিক্রেতা পরস্পর পৃথক না হওয়া পর্যন্ত তাদের এখতিয়ার বহাল থাকে। হাঃ-২১৮২

আবূ বারযাহ আল-আসলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ক্রেতা-বিক্রেতা পৃথক না হওয়া পর্যন্ত তাদের এখতিয়ার বহাল থাকে। [২১৮২]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->ব্যবসা-বাণিজ্য বাব->ক্রেতা-বিক্রেতা পরস্পর পৃথক না হওয়া পর্যন্ত তাদের এখতিয়ার বহাল থাকে। হাঃ-২১৮৩

সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ক্রেতা-বিক্রেতা পরস্পর থেকে পৃথক না হওয়া পর্যন্ত তাদের এখতিয়ার বহাল থাকে। [২১৮৩]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবসা-বাণিজ্য বাব->একে অপর হতে আলাদা হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের (ক্রয়-বিক্রয় প্রত্যাখ্যানের) স্বাধীনতা বজায় থাকে হাঃ-১২৪৫

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ ক্রেতা ও বিক্রেতা একে অপর হতে আলাদা না হওয়া পর্যন্ত অথবা উভয়ে ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন করতে সম্মত না হওয়া পর্যন্ত তাদের জন্য ক্রয়-বিক্রয় বাতিল করার স্বাধীনতা বজায় থাকে। বর্ণনাকারী বলেন, বসে থাকাবস্থায় ইবনু উমার (রাঃ) কোন জিনিস কিনলে (তা নির্ধারিত করার জন্য) উঠে দাড়িয়ে যেতেন। সহীহ্‌, ইবনু মা-জাহ (২১৮১), নাসা-ঈ


সুনান নাসাঈ অঃ->ক্রয়-বিক্রয় বাব->রাবী নাফি’ (রহঃ)-এর বর্ণনায় তার থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে শব্দগত পার্থক্য হাঃ-৪৪৬৯

হযরত ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের জন্যই অবকাশ রয়েছে; যতক্ষণ না তারা পরস্পর পৃথক হয়ে যায়। অথবা বলেঃ গ্রহণ কর এবং অন্যজন গ্রহণ করে নেয়।


সুনান নাসাঈ অঃ->ক্রয়-বিক্রয় বাব->এই হাদীসের শব্দে আব্দুল্লাহ ইব্‌ন দীনার থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে পার্থক্য হাঃ-৪৪৮২

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্রেতা-বিক্রেতার ইখতিয়ার থাকবে, যতক্ষণ না তারা পৃথক হয়ে যায় অথবা তারা গ্রহণ করে নেয়-যা ইচ্ছা করে তার সাথী থেকে।