নবী সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মসজিদে ই‘তিকাফরত অবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার দিকে তাঁর মাথা ঝুঁকিয়ে দিতেন আর আমি ঋতুবতী অবস্থায় তাঁর চুল আঁচড়িয়ে দিতাম।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি অত্র হাদীসকে সনদ সূত্রে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছিয়েছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন যে, যখন জুমু‘আর দিন হয় মসজিদের দরজাসমূহের প্রত্যেক দরজায় ফেরেশতাগণ বসে থাকেন। তাঁরা মর্যাদা অনুযায়ী আগমনকারীদের নাম লিখে নেন। প্রথম আগমনকারীর নাম প্রথমে, যখন ইমাম খুতবা দেওয়ার জন্য বের হয়ে আসেন তখন তাঁদের খাতা বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং তাঁরা খুতবা শুনতে থাকেন। অতএব, সূর্য পশ্চিম দিগন্তে হেলে যাওয়ার পর জুম‘আয় প্রথম আগমনকারী একটি উট সদকাকারীর ন্যায়, তারপর আগমনকারী একটি গরু সদকাকারীর ন্যায়, তারপর আগমনকারী একটি ভেড়া সদকাকারীর ন্যায় সওয়াব পাবে। এমনকি তিনি মুরগী এবং ডিমের কথাও উল্লেখ করেছিলেন।