সহিহ মুসলিম অঃ->ই’তিকাফ বাব->রমাযানের শেষ দশকে (‘ইবাদাতের জন্য) সচেষ্ট হওয়া হাঃ-২৬৭৭

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রমাযানের শেষ দশক শুরু হবার সাথে সাথে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সারা রাত জেগে থাকতেন ও নিজ পরিবারের সদস্যদের ঘুম থেকে জাগাতেন এবং তিনি নিজেও ‘ইবাদাতের জন্য জোর প্রস্তুতি নিতেন। (ই.ফা. ২৬৫৪, ই.সে. ২৬৫৩)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->রমযান মাস বাব->রমযান মাসের ক্বিয়াম হাঃ-১৩৭৬

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রমাযানের শেষ দশক এলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সারা রাতই জাগ্রত থাকতেন, (‘ইবাদতের উদ্দেশে) শক্তভাবে কোমড় বাঁধতেন এবং পরিবারের লোকদের জাগাতেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সিয়াম বা রোজা বাব->গর্ভবতী নারী ও দুগ্ধপোষ্য শিশুর মায়ের সিয়াম না রাখার সুযোগ। হাঃ-১৬৬৮

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে গর্ভবতী নারী নিজ জীবনের ক্ষতির আশঙ্কা করে এবং যে স্তন্যদায়িনী মা তার সন্তানের ক্ষতির আশঙ্কা করে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে সিয়াম না রাখার অনুমতি দিয়েছেন। [১৬৬৮]


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->পূর্ণ রাত্রি জাগরণ সম্পর্কে আয়েশা (রাঃ)-এর মতপার্থক্য হাঃ-১৬৩৯

মাসরুক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, যখন রমযানের শেষ দশ দিন আসত রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত্রে ইবাদাতের জন্য জাগ্রত হয়ে যেতেন এবং তাঁর পরিবারবর্গকেও জাগিয়ে দিতেন আর লুঙ্গি শক্ত করে বেঁধে নিতেন। (স্ত্রী সহবাস থেকে বিরত থেকে ইবাদাতে নিমগ্ন থাকতেন)